স্টাফ রিপোর্টার, কৃষ্ণনগর: করোনা পরিস্থিতিতে অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে প্লান্ট (Oxygen plant) বসছে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে। এই ট্যাঙ্ক থেকে বেডে পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো হবে অক্সিজেন।

জানা গিয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে নদিয়া জেলায় অক্সিজেনের ঘাটতি রয়েছে। এমনকী, পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পেয়ে মারাও গিয়েছে অনেকেই। মম শুধু জরুরি প্রয়োজনে  বেসরকারি সংস্থা থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে রেখেছেন। এরজন্য সুপারের লিখিত অনুমতিও নিয়েছেন। এবার হাসপাতালেই অক্সিজেন প্লান্ট তৈরির সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন: ‘সুষমাজি-স্মৃতিজিকেও কি এভাবে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে’, তথাগতকে পাল্টা জবাব তনুশ্রীর

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে কার্যত বেসামাল গোটা দেশ। বিভিন্ন রাজ্যেও হাহাকার শুরু হয়ে গিয়েছে। অক্সিজেনের অভাবে প্রাণ যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার দাবি করেছে, বাংলায় অক্সিজেনের অভাব নেই। তা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নতুন করে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। নবান্ন জানিয়েছে, করোনা অতিমারীর মতো জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে স্থাপন করা হবে ৫৫টি অক্সিজেন প্লান্ট।  এই পরিস্থিতিতে আরও ৯৩টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করতে চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছে বাংলা। জানা গিয়েছে, ৬টি প্ল্যান্টের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র।

জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে রাজ্যের ১১২টি কোভিড হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে পাইপলাইনের মাধ্যমে। আর যে হাসপাতালগুলিতে নতুন করে কোভিড চিকিৎসার পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে, সেখানেও অক্সিজেন পাইপলাইনেই সরবরাহ করা হবে বলে খবর। প্রয়োজনে কয়েকটি হাসপাতালে সিলিন্ডারের মাধ্যমে তা সরবরাহ করা হবে।

উল্লেখ্য, রাজ্যে অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে ইতিমধ্যেই কলকাতার বেলেঘাটা আইডিতে (Beleghata ID) বসানো হয়েছে অক্সিজেনের ট্যাঙ্ক। ১৩ হাজার লিটারের এই ট্যাঙ্ক থেকে বেডে পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে অক্সিজেন। আর সেই লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্টে বরফ বিভ্রাট অব্যাহত। প্ল্যান্টের গায়ে বরফ জমে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বরফ জমা ঠেকাতে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে সর্বক্ষণ রাখতে হচ্ছে দমকলের গাড়ি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.