পুনে : বুধবার থেকেই মহারাষ্ট্রের পুনেতে শুরু হতে চলেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল। দ্বিতীয় পর্যায়ের এই হিউম্যান ট্রায়ালের দিকে নজর গোটা বিশ্বের। পুনের ভারতী বিদ্যাপীঠের মেডিক্যাল কলেজে মঙ্গলবারই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা ভ্যাকসিন এসে পৌঁছয়।

ব্রিটিশ ফার্মা সংস্থা ‘অ্যাস্ট্রা জেনেকা’র সঙ্গে যৌথভাবে ভ্যাক্সিন তৈরি করছে ভারতের ‘সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া।’ অন্যদিকে, ভারতের আরও এক সংস্থা ‘ভারত বায়োটেক’ তৈরি করছে ‘কোভ্যাক্সিন।’

জানা গিয়েছে, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া পরিকল্পনা তৈরি করেছে যে, ২০২০-র শেষেই প্রত্যেক মাসে ১০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাক্সিন তৈরি করা হবে। ওই সংস্থা সম্প্রতি, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে ১৫০ মিলিয়ন ১৫০ মিলিয়ন ডলার পেয়েছে এই সংস্থা।

ভারতী বিদ্যাপীঠের মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডিরেক্টর ডঃ সঞ্জয় লালওয়ানি বলেন প্রাথমিক পর্যায়ে ৫জন স্বেচ্ছাসেবককে বেছে নেওয়া হয়েছে, যাদের ওপর এই ট্রায়াল চলবে। এঁদের প্রত্যেকের মেডিক্যাল রিপোর্ট স্বাভাবিক। কারোরই করোনা পজেটিভ নয়। এঁরা কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন ও অ্যান্টিবডি টেস্ট

সংবাদসংস্থা পিটিআইকে তিনি জানান এই হাসপাতাল কমপক্ষে ৩০০ থেকে ৩৫০জন স্বেচ্ছাসেবক চাইছে, যারা করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে অংশ নিতে ইচ্ছুক। ১৮ থেকে ৯৯ বছরের মধ্য তাঁদের বয়স হতে হবে। এই হাসপাতালের আরেক শীর্ষ আধিকারিক ডঃ জীতেন্দ্র ওসওয়াল জানান, ভ্যাকসিন শরীরে প্রবেশ করার পর স্ট্যান্ডার্ড ট্রায়াল প্রোটোকল মেনে এঁদের পর্যবেক্ষণ করা হবে। পুনে ছাড়াও ট্রায়াল চলবে দেশের আরও বেশ কয়েকটি হাসপাতালে।

এর মধ্যে রয়েছে পুনের বি জে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এইমস দিল্লি, পাটনার রাজেন্দ্র মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস, চন্ডীগড়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইন্সটিটিউট অফ মেডিক্যাল এডুকেশন, গোরখপুরের নেহেরু হসপিটাল, বিশাখাপত্তনমের অন্ধ্র মেডিক্যাল কলেজ।

সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ব্রিটিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাক্সিন তৈরি করছে এই অ্যাস্ট্রাজেনেকা। চুক্তি অনুযায়ী, সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ভারতে উৎপাদন করবে সেই ভ্যাক্সিন, যার নাম হবে ‘কোভিশিল্ড।’

আর সেই ভ্যাক্সিন তৈরি ও বাজারে আনার সব পরিকল্পনা তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন সেরাম ইনস্টিটিউটের ওই আধিকারিক। বিজনেস টুডে-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আর ৭৩ দিন বাদেই ভারতের বাজারে আসবে ভ্যাক্সিন। আর ভারতীয়দের তা দেওয়া হবে বিনামূল্যে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.