লন্ডন: ডিসেম্বরের শুরুতেই যদি অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়ালের ফল পজিটিভ হয়, তবেই ভ্যাকসিন বাজারে অনুমোদনের পরেই নিয়ে আসা হবে। এমনই আশার কথা শুনিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এই সংস্থা জানাচ্ছে অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড মানব শরীরে ৯০ শতাংশ কার্যকরী প্রমাণিত হবে। যতগুলি ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বে কাজ হচ্ছে, তার মধ্যে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিনটি সবথেকে বেশি কার্য়করী ও নিরাপদ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্রিটেনের অ্যাস্ট্রাজেনেকা সোমবার জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত কোভিশিল্ড ৭০ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই সম্ভবত তৈরি হয়ে যেতে পারে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা ভ্যাকসিন। ভারতে এই ভ্যাকসিনের ওপর কাজ করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তৈরি হয়ে যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সেরাম প্রধান আদর পুনাওয়ালা।

এই মুহুর্তে ব্রিটেন ও ব্রাজিলে কোভিশিল্ডের যে ট্রায়াল চলছে, তার ফলের ওপর ভিত্তি করেই এই খবর জানিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এখনও পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবকের শরীরেই ভালো ফল দিয়েছে কোভিশিল্ড। অ্যাস্ট্রাজেনেকার চিফ এগজিকিউটিভ প্যাস্কাল সোরিয়ট এক বিবৃতে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে কাজ এগোচ্ছে। খুব দ্রুত এই ভ্যাকসিন সবাই পাবেন।

অধীর আগ্রহে অপেক্ষা চলছে করোনার ভ্যাকসিনের জন্য। সেই পরিস্থিতিতেই আশার আলো দেখাচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে বর্তমানে। সূত্রের খবর নভেম্বরের শেষে অথবা ডিসেম্বরের শুরুতেই এই ট্রায়ালের ফল মিলবে। প্রকাশ্যে আসবে তৃতীয় দফার ট্রায়ালের বিস্তারিত তথ্য।

একই ভাবে জানা যাবে সেরাম ইনস্টিটিউটের তত্বাবধানে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ফলও। সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। পুনেতে শুরু হয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। স্যাসুন জেনারেল হসপিটালে এই তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে খবর।

এদিকে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, ২০২১-এর মার্চ মাসের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে এসে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যেই ২০০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিনের ডোজ পাওয়া যাবে। সাধারণত একটি ভ্যাকসিন তৈরি করতে ৮-১০ বছর সময় লাগে। কিন্তু এই নিয়ে তৃতীয় বার খুব কম সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন তৈরি করতে হচ্ছে। আশা করা যায় তা কার্যকরী ও নিরাপদ হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।