লন্ডন: অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাক্সিনের দিকে নজর রয়েছে প্রত্যেকেরই। গবেষকরা এখনও পর্যন্ত কিছু না জানালেও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, করোনা ভ্যাক্সিনের দিকে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়েছে অক্সফোর্ড। আর তা ঘুরে জল্পনা তু্ঙ্গে।

ইউকে -র সংবাদপত্র ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে যে ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চলছে, তা করোন ভাইরাসের বিরুদ্ধে দ্বিগুণ সুরক্ষা দিতে সক্ষম।

রিপোর্ট আরও বলছে যে, তৃতীয় পর্যায়ের ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল প্রায় শেষের পথে। এটি অ্যান্টিবডি ও টি সেল দুটিই উৎপন্ন করতে সক্ষম। টেলিগ্রাফে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ের ভ্যাক্সিন ট্রায়ালেই এই প্রমাণ মিলেছে। রক্তের নমুনায় দেখা গিয়েছে, অ্যান্টিবডি ও ভাইরাস খতমকারী টি সেল দুটোই আছে।

‘অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি’ই সবার আগে হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করে। তাই সেদিকেই তাকিয়ে বসে আছে গোটা বিশ্ব। আর সেখান থেকে খুব তাড়াতাড়ি কিছু একটা খবর আসতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবারই কোনও ইতিবাচক রেজাল্ট আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আইটিভি-র পলিটিক্যাল এডিটর রবার্ট পেস্টন এমনটাই জানিয়েছেন।

ফেজ-থ্রি হিউম্যান ট্রায়ালের পরীক্ষা চলছে। কিন্তু এখনও ফেজ ওয়ানের রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়নি। এটা নিরাপদ কিনা, তা পরীক্ষা করা হবে। জুলাইয়ের শেষেই তার ফলাফল আসবে। ল্যান্সেট মেডিক্যাল জার্নালে সেই ডেটা প্রকাশিত হবে বলে জানা গিয়েছে।

অক্সফোর্ডের এই ভ্যাক্সিনের ‘অ্যাস্ট্রা জেনেকা’র লাইসেন্স রয়েছে। গোটা বিশ্ব জুড়ে একগুচ্ছ ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চলছে। তবে তার মধ্যে অক্সফোর্ডের গবেষণায় যে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে সেকথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

এদিকে, সোমবার থেকেই ভারতে শুরু হয়েছে ‘কোভ্যাক্সিন’-এর হিউম্যান ট্রায়ালের প্রক্রিয়া। ভারতীয় সংস্থা ‘ভারত বায়োটেক’ আইসিএমআরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। সোমবার থেকেই মানবদেহে সেই ভ্যাক্সিনের পরীক্ষা-নিরিক্ষা শুরু করবে পাটনার এইমস।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ