বিশেষ প্রতিবেদন: অদৃশ্য ঘাতকের হামলায় যেমন মৃত্যুর প্রাচীর দীর্ঘ হচ্ছে, তেমনই সেটা টপকে চলছে করোনা মুক্ত জীবনের সন্ধান। লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত। তারই মাঝে নিরলস প্রচেষ্টায় গবেষকরা দিন রাত এক করে ফেলছেন।

কখনও আসছে রুশ ওষুধ অ্যাভিফ্যাভির তো মার্কিন প্রতিষেধক রেমডিসিভির আবার কখনও ইংল্যান্ডের ডেক্সামেথাসোন-কে নিয়ে আলোড়ন। এবার শুরু হলো অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই বহু প্রতিক্ষীত টিকা নিয়ে শোরগোল।

বিবিসি জানাচ্ছে, শুরু হয়েছে মানব দেহে অক্সফোর্ড টিকার প্রয়োগ। প্রথমেই এর প্রয়োগ হবে দক্ষিণ আফ্রিকায়। জোহানেসবার্গ শহরে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা। তাই এখানকার রোগীদের বেছে নিয়েছেন গবেষকরা।

দক্ষিণ আফ্রিকার পাশাপাশি ব্রাজিলেও ২০০০ করোনা আক্রান্ত কে অক্সফোর্ডের টিকা দেওয়া হচ্ছে। গবেষকরা এই পর্বে দেখতে চান তাঁদের অক্সফোর্ডে তৈরি এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করোনা মহামারি সামলাতে এটাই প্রথম ও সবচেয়ে উন্নত ভ্যাকসিন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, এই টিকার পরীক্ষা ইংল্যান্ডেও হয়েছে়। সেখানে সংক্রমণ কমতির দিকে। এবার দক্ষিণ আফ্রিকায় জোহানেসবার্গে প্রথম ডোজ এই সপ্তাহে দেয়া হবে। এই খবর জানাচ্ছে বিবিসি

ওয়ার্ল্ডোমিটার পরিসংখ্যানে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে সংক্রমণ ও মৃত্যু সর্বাধিক । ভারতে মঙ্গলবার পর্য়ন্ত মৃত ১৪ হাজার ৪০০ পার করেছে। আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫৬ হাজারের বেশি।

বিভিন্ন রাজ্যে মৃতের সংখ্যা বাড়ছেই। সেই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা বিধায়ক তমোনাশ ঘোষ। করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। বিধায়কের প্রয়াণ সংবাদের পরই এসেছে অক্সফোর্ড টিকার খবর। একইভাবে বাংলাদেশেও মৃতের তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রী মহ. মহম্মদ নাসিম, কামাল লোহানীর মতো বিশিষ্ট জনেরা। একাধিক পাকিস্তানি মৃত।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে করোনার পরিসংখ্যান। এতে বলা হয়েছে আর বিশ্বে করোনা মৃতের তালিকায় প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মৃত ১ লক্ষ ২৩ হাজারের বেশি। এর পরেই ব্রাজিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.