লন্ডন : বিশ্বের সবথেকে আলোচিত ও আশা জাগানো ভ্যাকসিন তৈরি করছে অক্সফোর্ড। যার সঙ্গে সমান উদ্যোগে কাজ করছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এবার সেই ভ্যাকসিনে সাফল্য মিলছে। অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিন যুব সম্প্রদায় ও বয়স্কদের মধ্যে ইমিউন রেসপন্স তৈরি করছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, ইতিহাস তৈরি করবে তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন। কারণ এই ভ্যাকসিনে বেশ ভালো সাড়া মিলছে। যুবক ও বয়স্ক দুই ক্ষেত্রেই তৈরি হয়েছে ইমিউন রেসপন্স। বিশেষ করে যেখানে রোগের প্রোকাপ বেশি, সেখানেই ইমিউনিটি তৈরির ইঙ্গিত মিলছে এই ভ্যাকসিনের মাধ্যমে।

এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে বর্তমানে। সূত্রের খবর নভেম্বরের শেষে অথবা ডিসেম্বরের শুরুতেই এই ট্রায়ালের ফল মিলবে। প্রকাশ্যে আসবে তৃতীয় দফার ট্রায়ালের বিস্তারিত তথ্য। একই ভাবে জানা যাবে সেরাম ইনস্টিটিউটের তত্বাবধানে তৈরি হওয়া ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ফলও।

সেপ্টেম্বর মাসের শেষ থেকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। পুনেতে শুরু হয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল। তৃতীয় পর্যায়ের হিউম্যান ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করেছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। স্যাসুন জেনারেল হসপিটালে এই তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে খবর।

প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন স্বেচ্ছাসেবক এই ট্রায়ালে অংশ নিয়েছেন। ওই হাসপাতালেই স্বেচ্ছাসেবকদের নাম নথিভুক্তিকরণের কাজ চলে। এছাড়াও জানানো হয়, যারা নাম নথিভুক্ত করতে চাইছেন তাঁদের হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলে ভারতী বিদ্যাপীঠ মেডিক্যাল কলেজ ও কেইএম হাসপাতালে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকাই ভারতে তৈরি করছে সেরাম।

উল্লেখ্য সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনাওয়ালা দাবি করেন করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়ার পরেও সবাই তা নাও পেতে পারেন। গোটা বিশ্বে মাস ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লেগে যেতে পারে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ বছর।

২০২৪ সাল পর্যন্ত ভ্যাকসিনের যোগানে কিছুটা হলেও ঘাটতি থাকবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন সেরাম কর্তা। পুনাওয়ালা জানান বিশ্বের সব মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রগুলির হলেও, বিপুল জনসংখ্যা এই কাজে ব্যাঘাত ঘটাবে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।