মুম্বই :ভারতীয় সংস্থার বিদেশে বিনিয়োগ ৪২ শতাংশ কমে গিয়ে ১.৪৫বিলিয়ন বলার হয়েছে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এমন তথ্য দিচ্ছে।এক বছর আগে ভারতীয় সংস্থাগুলি ২.৫১ বিলিয়ন ডলার লগ্নি করেছিল বিদেশী সংস্থায় যৌথ উদ্যোগে অথবা অধীনস্থ সংস্থায়।২০২০ সালের নভেম্বরে মোট বহির্মুখী বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ১.০৬ বিলিয়ন ডলার যা তার আগের মাসের থেকে ২৭ শতাংশ কম।

আলোচ্য সময় ভারতীয় সংস্থাগুলির ওই মোট বহির্মুখী বিদেশি বিনিয়োগের ৭৭৫.৪১ মিলিয়ন ডলার ইকুইটিতে গিয়েছে এবং ৩৮২.৯১ মিলিয়ন ডলার গিয়েছে ঋণ হিসেবে। এছাড়া এই লগ্নিতে ২৮৭.৬৩ মিলিয়ন ডলার গ্যারান্টি হিসেবে দেওয়া হয়েছে।

প্রধান বিনিয়োগকারী সংস্থা গুলির মধ্যে ওএনজিসি বিদেশ লিমিটেড মোট ১৩১.৮৫ মিলিয়ন লগ্নি করেছে যৌথ উদ্যোগে এবং মায়ানমার রাশিয়া ভিয়েতনাম কলম্বিয়া এবং ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডে থাকা পুরোপুরি অধীনস্থ কোম্পানিতে।
ইন্টাজ ফার্মাসিউটিক্যাল ৭৫.২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে ইউকেতে তার পুরোপুরি অধীনস্থ সংস্থায়। টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস ২৭.৭৭ মিলিয়ন ডলার লগ্নি করেছে আয়ারল্যান্ডে তাদের পুরোপুরি অধীনস্থ সংস্থায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.