মহিমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো যখন সে হাতে রিপোর্ট (covid report) পেলো। সে যে মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছে সেই খবর তার বাড়ি ছাড়িয়েও প্রতিবেশীদের বাড়ির কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পড়তেই একেবারে একা হয়ে গেল সে।

যেন যেন মুহূর্তে গোটা পৃথিবীতে সে একাই বাস করা এক প্রাণী হয়ে উঠল। এরপরে হাজারো দুঃশ্চিন্তা মাথায় ভর করতে লাগলো তার।

অফিসের পাশাপাশি বাড়ির সব কাজ তাকে একাই করতে হয়। এমন অবস্থায় মানসিক অবসাদগ্রস্ত (mental stress) হয়ে পড়তে শুরু করল মহিমা।

মানসিক অবসাদের (mental stress) ফল হিসেবে সে অতিরিক্ত পরিমাণে খেতে শুরু করল। এই অতিরিক্ত খাওয়া অবসাদেরই (mental stress) অন্যতম লক্ষণ।

আরো পোস্ট- গরম আর করোনার দাওয়াই “বিটের স্মুদি”

যখনই কোনো চিন্তা মাথায় আসতো সে কিছু না কিছু খেয়ে ফেলত। এমনিতে ফিগার কনশাস হলেও এই কটা দিন যেন তার খিদে আর মিটছে না।

আপনারও কি এমনই অবস্থা? চিন্তা নেই, রয়েছে সমাধান।

১. সবার প্রথমে নিজের দুশ্চিন্তার উপরে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার যে অসুবিধাগুলো রয়েছে সেগুলি আপনাকে মাথায় রাখতে হবে খাবার সময়।

কারণ এই চক্রটি শেষ হবার নয়।

২. প্রতিদিন অন্তত কুড়ি মিনিট শারীরিক পরিশ্রম বা শরীরচর্চা (workout) করতে হবে। এর ফলে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় (blood circulation) এবং স্ট্রেস হরমোন (stress hormone) কম পরিমাণে ক্ষরিত হয়। যার ফলে আপনার মস্তিষ্ক ঠান্ডা থাকে।

৩. অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রতি রাতে দরকার। তাই ঘুমানোর আগে কোন রকম দুশ্চিন্তা নয়।

এমনকি ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে সমস্ত গ্যাজেট (gadget) থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে ফেলুন।

৪. ধূমপান বা মদ্যপান (smoking) একেবারেই না। কারণ এর ফলে আপনার ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হবার পাশাপাশি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

যে কারণে আপনি শারীরিকভাবে আরো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন এই সময়।

৫. আপনার ডায়েটে প্রতিদিন সবুজ সবজি এবং তাজা ফল রাখতেই হবে। আপনি সেগুলি স্মুদি বা জ্যুস বানিয়েও বা সেদ্ধ করেও খেতে পারেন।

৬. মাঝরাতে কোন কারণে ঘুম ভেঙে গেলে কোন রকম খাবারের প্রতি ঝুঁকবেন না। শুধু জল পান করুন এবং চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.