এথেন্স: এক অদ্ভূত কান্ড। একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হল ৪১ জনকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে উত্তর গ্রিসের জান্থি শহরে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪০ জনের মধ্যে প্রত্যেকেই ব্যক্তিদের প্রত্যেকেই শরণার্থী। জান্থি শহরে তল্লাশির জন্য একটি ট্রাককে দাঁড় করায় পুলিশ। তল্লাশির সময় দেখা যায়, হিমঘরের মতো রেফ্রিজেরাশন ব্যবস্থায় ট্রাকের ভিতরে লুকিয়ে রয়েছেন ৪১ জন শরণার্থী। অভিবাসীদের বেশিরভাগই আফগানিস্তানের নাগরিক।

গ্রিক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উদ্ধার করা অভিবাসীদের প্রত্যেকেই সুস্থ আছে। নিয়মিত চেকিংয়ের অংশ হিসেবে উত্তরাঞ্চলীয় জানথি শহরের কাছে ট্রাকটিকে থামানো হয়। পরে চালককে গ্রেফতার করে এবং অভিবাসীদেরকে শনাক্তের জন্য পাশের পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাম্প্রতিককালে গ্রিসের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হল বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শরণার্থীরা। ২০১৫ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ ইউরোপের ঢোকার আশায় তুরস্ক থেকে রওনা হয়ে গ্রিসে পৌঁছে আটক হয়েছে।

তুরস্কের কাছাকাছি এজিয়ান দ্বীপের একাধিক শিবিরে প্রায় ৩৪ হাজার আশ্রিত এবং শরণার্থীকে আটক রেখেছে গ্রিস সরকার। এর আগে লন্ডনের কাছে একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রাক থেকে ৩৯ জন অভিবাসীর দেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকেই ভিয়েতনামের নাগরিক বলে জানা গিয়েছিল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।