নয়াদিল্লি: নগদে লেনদেন কমিয়ে ক্যাশলেস লেনদেনে এখন বেশি স্বচ্ছন্দ আম জনতা৷ নোটবাতিলের পর এই প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে৷ যার জেরে এটিএম গুলিতে ঝাঁপ পড়তে শুরু করেছে৷ তথ্য বলছে, চলতি বছর জুন থেকে অগষ্ট মাস পর্যন্ত এই ত্রৈমাসিকে দেশে ৩৫৮টি এটিএম বন্ধ হয়েছে৷

এটিএম বন্ধ হওয়ার পিছনে মূলত দায়ী করা হচ্ছে সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকেই৷ গত বছর নভেম্বর মাসে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল ঘোষণা করে মোদী সরকার৷ তার আগে থেকেই দেশবাসীকে অনলাইনের মাধ্যমে কেনাকাটার পরামর্শ দিচ্ছিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ নোট বাতিলের পর থেকে আম জনতা ধীরে ধীরে পেটিএমের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেনে অভ্যস্ত হতে শুরু করেছে৷ যার জেরে এটিএম গুলি থেকে টাকা তোলার প্রবণতা কমছে৷

তথ্য বলছে গত চার বছরে দেশে এটিএম বৃদ্ধির হার ১৬.৪ শতাংশ৷ কিন্তু নোট বাতিলের পর ০.১৬ শতাংশ এটিএম বন্ধ হয়েছে৷ দেশের অর্থনীতির ইতিহাসে এই প্রথম এত সংখ্যক এটিএম বন্ধ হয়ে গিয়েছে৷ খবরে প্রকাশ, নোট বাতিলের আগে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মোট এটিএম শাখা ছিল ৫৯ হাজার ২৯১টি৷ চলতি বছর জুন থেকে অগষ্ট মাস পর্যন্ত এই ত্রৈমাসিকে তা নেমে এসেছে ৫৯ হাজার ২০০তে৷ একই হাল অন্যান্য ব্যাঙ্কের এটিএম গুলোর৷ পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের এটিএম ১০ হাজার ৫০২ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ০৮৩ তে৷ বেসরকারি ব্যাঙ্ক এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের এটিএম সংখ্যা বর্তমানে ১২ হাজার ২২৫৷ আগে ছিল ১২ হাজার ২৩০টি৷