নয়াদিল্লি: শনিবার থেকে ভ্যাক্সিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথম দিনেই ২ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীকে দেওয়া হয়েছে ভ্যাক্সিন। মোট ১৭০০০ জনকে ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়েছে দ্বিতীয় দিনে। তবে এর মধ্যে ৪৪৭ জনের শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, দেখা গিয়েছে।

রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে এই রিপোর্ট দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব ড, মনোহর আগনানি ও যুগ্ম সচিব মনদীপ ভাণ্ডারী।

রাজ্যগুলিকে প্রতি সপ্তাহে চার দিন করে ভ্যাক্সিন দেওয়ার প্রক্রিয়া চালানোর কথা বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্য ভ্যাক্সিন দেওয়ার দিনও ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশে সপ্তাহে ৬ দিন ভ্যাক্সিন দেওয়ার অনুমতি চেয়েছে।

রবিবার ভ্যাক্সিন নিয়েছেন মোট ১৭,০৭২ জন।

১৬ জানুয়ারি ভারতের জন্য এক ঐতিহাসিক দিন। এদিন শুরু হয়েছে দেশ জুড়ে ভ্যাক্সিন নেওয়ার প্রক্রিয়া। ভারতের জনসংখ্যার নিরিখে এটাই বিশ্বের সবথেকে বড় ভ্যাক্সিন ড্রাইভ। আর প্রথম দিনেই উদ্বেগের খবর আসে রাজধানী দিল্লি থেকে।

জানা গিয়েছে, একাধিক স্বাস্থ্যকর্মী এই ভ্যাক্সিন নেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিল্লিতে ১১ টি ও পশ্চিম ও পূর্ব দিল্লি থেকে বেশ কয়েকজনের অসুস্থ হওয়ার খবর এসেছে। তবে দক্ষিণ দিল্লি থেকে এক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর এসেছে, যা গুরুতর।

গুরুতর অসুস্থ ওক স্বাস্থ্যকর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এছাড়া আরও দু’জনকে কিছুক্ষণ রাখার পর হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভ্যাক্সিন নেওয়ার পর একজনের অবস্থা এতই খারাপ হয় যে তাকে এইমসের আইসিইউ-তে ভর্তি করাতে হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভ্যাক্সিন দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যেই ওই ব্যক্তির মাথা যন্ত্রণা, র‍্যাশ, শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসায় কোনও উন্নতি না হলে অ্যাড্রিনালিন ব্যবআর করে তার অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা হয়। এরপর তাঁকে এইমসে ভর্তি করা হয়। আত ঘণ্টার মধ্যেই শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।