India daily corona update

নয়াদিল্লি : শনিবার নয়া তথ্য প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে ১৬ই জানুয়ারি যে ভ্যাকসিনেশন ড্রাইভ শুরু হয়েছিল, তা যথেষ্ট সফল। এই ৮দিনে ১৫ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তবে তার মধ্যে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে খুব কম মানুষের ক্ষেত্রেই। চলেছে ২৭ হাজার ৭৭৬টি সেশন। শনিবার বিকেল ছটা পর্যন্ত ৩৩৬৮টি সেশন বসানো হয়েছে।

এক প্রেস বিবৃতিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে ভ্যাকসিনেশনের পরে ১১জনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত প্রত্যেকেই সুস্থ রয়েছেন। ১২৩ জনের মধ্যে সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে তার সঙ্গে ভ্যাকসিনেশনের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিকে ভারতের পাশাপাশি, ১৩টি দেশে ভ্যাকসিনেশন প্রশিক্ষণ চলছে। বাহরিন, বাংলাদেশ, ভুটান, ব্রাজিল, মালদ্বীপ, মরিশাস, মঙ্গোলিয়া, মরোক্কো, মায়ানমার, নেপাল, ওমান, সেশলস ও শ্রীলঙ্কায় প্রশিক্ষণ চলছে।

এদিকে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানালেন হু প্রধান। কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে অন্য দেশকে সমর্থন করার জন্য ভারতের একটানা লড়াইকে ধন্যবাদ জানালেন হু প্রধান। দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক প্রতিবেশী দেশকে ভ্যাকসিন দিয়েছে ভারত। মরোক্কো ও ব্রাজিলকেও পাঠানো হয়েছে ভ্যাকসিন । দক্ষিণ আফ্রিকাও খুব শীঘ্রই ভ্যাকসিন পেতে চলেছে।

টুইটে হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসাস লিখেছেন, “কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সারা বিশ্বকে সমর্থন করার জন্য ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ। একমাত্র আমরা যদি একসঙ্গে থাকি, এবিষয়ে জ্ঞান শেয়ার করি তবেই এই ভাইরাসকে আমরা থামাতে পারব এবং জীবন ও জীবিকা বাঁচাতে পারব।”

দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরবেও খুব শীঘ্রই এই ভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মায়ানমার ও বাংলাদেশ উভয় দেশই ভারত থেকে ৩০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার চুক্তি করেছে। ১২ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন চেয়েছে নেপালও। ১৫ লক্ষ কোভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫০ লক্ষ কোভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে ব্রাজিল।

এছাড়া থাইল্যান্ড, সিসিলি, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, মরিশাস সহ আরও অনেক দেশ ভারতের কাছ থেকে এই ভ্যাকসিন বাণিজ্যিক ভাবে কিনতে চেয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপানও এই ভ্যাকসিন কেনার ব্যাপারে ভারতের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।