হরিদ্বার: বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসবেও করোনার চোখরাঙানি। গত ৪৮ ঘণ্টায় কুম্ভ মেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০০০ জনেরও বেশি। বুধবার এই খবর প্রকাশ পাওয়ার পর আশঙ্কা আরও বেড়েছে। প্রচুর হিন্দু পুণ্যার্থী বর্তমানে এখানে উপস্থিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগেরই মাস্ক নেই। সেই কারণেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে। ইদানিং প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন দেড় লক্ষেরও বেশি মানুষ। ১২ তারিখ শাহি স্নানে যোগ দিতে কুম্ভের মেলায় কয়েক লাখ ভক্তের সমাগম হয়েছে ৷ যেটা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিয়ম বিরোধী৷ তবে ভক্তদের অনেকে বলছেন, কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ হলে তবেই হরিদ্বারে প্রবেশ করতে দিচ্ছে প্রশাসন৷ কাজেই আর ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই৷ কিন্তু আদতে দেখা গেল তা হল না মোটেই। গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কুম্ভ মেলা প্রাঙ্গন থেকে ১ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থীর আক্রান্তের খবর এল। সোম ও মঙ্গলবার বড় সংখ্যক পুণ্যার্থী গঙ্গায় শাহি স্নান করেন। স্বাভাবিকভাবেই এই সময় কারোর মুখে মাস্ক ছিল না।

কুম্ভ মেলা অর্গানাইজেশনের সিদ্ধার্থ চক্রপাণি জানিয়েছেন, এখানে যাঁরা এসেছেন তাঁরা নিজেদের বিশ্বাসের উপর আস্থাশীল। সেই বিশ্বাসে ভর করেই তাঁরা গঙ্গাস্নান করছেন। তাঁদের বিশ্বাস মা গঙ্গা তাঁদের রক্ষা করবেন। এই মহামারী থেকে দূরে রাখবেন। সোমবার ও মঙ্গলবার প্রায় ৫০ হাজার জনের নমুনা নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে সোমবার ৪০৮ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। মঙ্গলবার ৫৯৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

প্রশাসনিক তরফে জানানো হয়েছে, ধারাবাহিকভাবে করোনাবিধি অনুসরণ করার জন্য লোকদের কাছে আবেদন করা হচ্ছে। তবে ঘাটে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।তারা যদি সামাজিক দূরত্ববিধি প্রয়োগের চেষ্টা করা হয় তবে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এ বছর কুম্ভমেলা সাড়ে তিনমাসের বদলে ৩০ দিন ধরে চলবে উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে। ১লা এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে কুম্ভ মেলা।এবারের কুম্ভমেলায় ১২, ১৪, ২৭ এপ্রিলে ৩টি শাহি স্নানের যোগ রয়েছে। কয়েকদিন আগেই শংকরাচার্য চকের কৃষ্ণ আশ্রমের ৭ জন সন্ন্যাসী করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে তারা এখন সুস্থ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.