নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই বিশ্বকে সাহায্যের হাত বাড়ানোয় প্রশংসা কুড়িয়েছে ভারত। শুধু তাই নয়, ভারত করোনা মোকাবিলায় ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে সে বিষয়েও কুর্ণিশ জানানো হয়েছে ভারতকে। তবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে দেশের মধ্যে ঠিক কতটা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্র সেই হিসেব ছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রক জানিয়েছে, ৩ কোটির বেশি এন৯৫ মাস্ক এবং ১.২৮-এর বেশি পিপিই কিট এবং ১০.৮৩ কোটি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট এখনও অবধি রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মার্চ মাসের ১১ তারিখ থেকে এখনও অবধি এই পরিমাণ জিনিস পৌঁছে গিয়েছে রাজ্য প্রশাসনের হাতে।

একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মেক ইন ইন্ডিয়ার আওতায় মোট ২২,৫৩৩ ভেন্টিলেটরও পাঠানো হয়েছে রাজ্য সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে।

“মার্চ মাসের ১১ তারিখ থেকে কেন্দ্রীয় সরকার মোট ৩ কোটির বেশি এন৯৫ মাস্ক, ১.২৮-এর বেশি পিপিই কিট এবং ১০.৮৩ কোটি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মেক ইন ইন্ডিয়ার আওতায় মোট ২২,৫৩৩ ভেন্টিলেটরও পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও তা সম্পূর্ণ ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র”।

কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকার বিনামূল্যে রাজ্যগুলিকে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়েছে, এমনটাই জানিয়েছে মন্ত্রক।

“শুরুর দিকে দেশে তৈরি কোনও জিনিস দেওয়া সম্ভব না হলেও, অতিমারিতে বিশ্বে চাহিদার থেকে যোগান কমে যায় বিশ্ব বাজারে, যার জন্যই দেশে তৈরি হয়েছে প্রয়োজনীয় জিনিস।

তবে কেন্দ্রের ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে ব্যপকহারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় জিনিস পরিমাণ মতন উৎপাদন শুরু হওয়ায় তা সম্ভবপর হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা