নয়াদিল্লি: কেরলের বন্যা যে শুধু কয়েক’শ প্রাণ কেড়ে নিয়েছে তাই নয় সরাসরি মানুষকে জানিয়েছে প্রকৃতির সাথে লড়াই করার ক্ষমতা এখনও তাদের হয়নি। তবে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মাত্র তিন দিনে পেটিএমের হাতে উঠে এসেছে ২০ কোটি টাকা। মানুষের দুর্দশা, মৃত্যুমিছিল, ভারতীয় নৌসেনার অক্লান্ত অবদান সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় পাতায় ছড়িয়ে পড়লেও মানুষ শোনেনি সেখানকার মৎস্যজীবীদের কথা। ক্যামেরার আলোর ছটা থেকে বহু দূরে এরা লিখে চলেছেন মানবিকতার হাজার গল্প।

কেরলের আল্লাপ্পুজাহা জেলার এই বন্যায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো পেশায় ইঞ্জিনিয়ার এক যুবক, জয় সেবাস্তিয়ান এবার কলম ধরেছেন সেখানকার মৎস্যজীবীদের কথা জানাতে। তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষই এই লড়াইয়ের আসল নায়ক। তাদের আলাদা ভাবে চেনার জন্য বিশেষ পোশাক নেই। শুধু মানবিকতার ধর্ম তাদের জাত চেনাতে পারে। নৌকার জোর ছাড়া আর কিছু নেইও তাদের। এই মানুষগুলো প্রতিদিন সমুদ্রের ঢেউের সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকে। কুত্তানাদ এবং চেঙ্গানুরের ঢেউ তাদের কাছে নতুন নয়। মানুষকে বাঁচাতে তারা লড়ে চলেছেন।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে জয় লিখেছেন, ‘রাতে উদ্ধারকাজ বন্ধ থাকে। একদিন রাত ১০টা নাগাদ এক মৎস্যজীবী কন্ট্রোল রুমে এসে বলেন, অফিসাররা আমাদের ওই অঞ্চলে যেতে দিচ্ছেন না। ১০ কিলোমিটার দূরে ওই অঞ্চলে প্রায় ১৫ জন মানুষ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছেন। আমরা তাদের কথা দিয়ে এসেছি আমরা তাদের উদ্ধার করব। আমরা রাতের বেলা সমুদ্রে কাজ করি। দয়া করে আমাদের যেতে দিন’। এটাই বাস্তব। নৌবাহিনীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে চলেছেন এরা। প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষকে উদ্ধার করেছেন এরাই।

নৌবাহিনী লড়ছে, মানুষ অক্লান্ত চেষ্টা করছে। কেরলের বন্যা যেন প্রমান করছে, মানুষ আজও মানুষের জন্য বাঁচে। শেষ লাইনে জয় লিখেছেন, ‘এখন আমি ঘুমোতে যাই। একজন মৎস্যজীবী পিতার সন্তান হওয়ার গর্ব নিয়ে’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।