নয়াদিল্লি: কুলভূষণ মামলায় নৈতিক জয়ের পর ট্যুইটে প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রত্যেক ভারতীয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তিনি।

বুধবার আন্তর্জাতিক আদালতে কুলভূষণের মৃত্যুদণ্ড খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে।

এই মুহূর্তে পাকিস্তান কুলভূষণকে ফাঁসি দিতে পারবে না। আপাতত পাক আদালতের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। ৪২ পাতার অর্ডারে সেই রায়ের উল্লেখ রয়েছে।

পাশাপাশি ভারত যে বারবার কনস্যুলার অ্যাকসেস চেয়েছিল, তা পাকিস্তানের দেওয়া উচিৎ বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। কুলভূষণের ক্ষেত্রে পাকিস্তান ভিয়েনা কনভেনশন ভেঙেছে বলে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপরই ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়কে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। সত্য ও ন্যায়ের প্রকাশ ঘটেছে। ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রায় দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতকে স্বাগত। আমি নিশ্চিত, কুলভূষণ যাদব বিচার পাবেন। আমাদের সরকার সবসময়েই প্রত্যেক ভারতীয়ের সুরক্ষার জন্য কাজ করবে”।

হেগে রায় পড়ে শোনানোর সময়, বিচারপতি বলেন, “সাজার ওপর স্থগিতাদেশ, যাদবের সাজা এবং রায়দানে নিয়ে, কার্যক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনার আবশ্যিক শর্ত”।

আন্তর্জাতিক আদালত বলে, কুলভূষণ যাদবকে(Kulbhushan Jadhav) তাঁর অধিকার সম্পর্কে জানায়নি পাকিস্তান।

২০১৬-র ৩ মার্চ গ্রেফতার করে পাক নিরাপত্তা বাহিনী। কুলভূষণের বিরুদ্ধে পাক সামরিক আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ভারত আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার আদালতের দ্বারস্থ।

২০১৭-র এপ্রিলে পাক সামরিক আদালত ৪৭ বছরের কুলভূষণকে ফাঁসির সাজা দেয়। পাকিস্তানের দাবি, ইরান থেকে বালুচিস্তানে ঢুকে পড়েছিলেন কুলভূষণ। তাঁকে ভারতের গুপ্তচর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। গুপ্তচরদের কনস্যুলার অ্যাকসেস দেওয়া উচিৎ নয় বলে বারবার দাবি করে ভারত।