নয়াদিল্লি: ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ধৃত স্পেশাল অফিসারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার। ঘুষকাণ্ডে ধৃতের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী সিসোদিয়া।

শুক্রবার টুইটারে মণীশ সিসোদিয়া লেখেন, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ জিএসটি অফিসারের গ্রেফতার হওয়ার বিষয়টি তিনি জানেন। টুইটারে তিনি আরও লেখেন, ‘ঘুষকাণ্ডে ধৃত ব্যক্তি আমার দফতরেই অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি পদে দায়িত্বে ছিলেন। গত ৫ বছরে এমন বহু দুর্নীতিপরায়ন বহু অফিসারকে ধরেছি।’

বৃহস্পতিবারই ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েন দিল্লি সরকারের উপ-মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে কর্মরত গোপালকৃষ্ণ মাধব। জিএসটি সংক্রান্ত একটি ঘটনায় সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে নগদ ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েন ওই ব্যক্তি। ধৃত গোপালকৃষ্ণ মাধবকে দিল্লিতে সিবিআই দফতরে দফায় দফায় জেরা করছেন গোয়েন্দারা। এই ঘটনায় আরও কারও যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে সিবিআই।

২০১৫ সালে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার দফতরে অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি পদে কাজে যোগ দিয়েছিলেন গোপালকৃষ্ণ মাধব নামে ওই ব্যক্তি। শনিবারই দিল্লি বিধানসভার ভোট৷ দিল্লির ৭০টি কেন্দ্রে শনিবার ভোটগ্রহণ হবে৷ তার ঠিক ২ দিন আগে ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়লেন দিল্লি সরকারের ওই অফিসার।

যদিও দিল্লির আপ সরকারের তরফে খোদ উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ায় অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রয়োজন এব্যাপারে সিবিআইকে সবরকম সাহায্য করারও আশ্বাস দিয়েছে দিল্লির সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.