প্রয়াত হলেন অস্কার এবং একাধিক এমি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী অভিনেত্রী ক্লোরিস লিচম্যান
প্রয়াত হলেন অস্কার এবং একাধিক এমি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী অভিনেত্রী ক্লোরিস লিচম্যান।

ওয়াশিংটন: বছরের গোড়াতেই দুঃসংবাদ। প্রয়াত হলেন অস্কার এবং একাধিক এমি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী অভিনেত্রী ক্লোরিস লিচম্যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। ক্যালিফোর্নিয়ার এনকিনিটাসে মঙ্গলবার বয়সজনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ‘দ্য মেরি টাইলার মুর শো’-তে ফিলিস লিন্ড্রস্টম খেলার জন্য বিখ্য়াত তিনি।

অভিনেত্রীর দীর্ঘদিনের ম্যানেজার জুলিয়েট গ্রিন তাঁর মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেন। গ্রিন বলেন, “আমাদের সময়ের অন্যতম নির্ভীক অভিনেত্রী ছিলেন ক্লোরিস লিচম্যান। তাঁর সঙ্গে কাজ করা সৌভাগ্য হয়েছে আমার। ক্লোরিসের মতো আর কেউ ছিল না। একবার লুক দিয়েই তিনি অনুরাগীদের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা রাখতেন। তিনি চোখে জল না আসা পর্যন্ত মানুষকে হাসাতে পারতেন। ক্লোরিস কী বলবেন বা করবেন তা কখনই জানা যেত না। তাঁর মধ্যে সেই অপ্রত্যাশিত গুণটি ছিল।” প্রয়াত অভিনেত্রী হলিউডের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেত্রী ছিলেন। একটি অ্যাকাডেমি পুরষ্কার, একটি গোল্ডেন গ্লোব এবং আটটি প্রাইমটাইম এমি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন তিনি।

‘দ্য মেরি টাইলার মুর শো’-এ লিচম্যানের চরিত্র ‘ফিলিস’ অনেকটা তাঁর নিজের মতো ছিল বলে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সাতের দশকের মাঝামাঝি সময়ে এই চরিত্রটি তাঁকে ২টি এমি অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়। লিচম্যান তখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠেছিলেন। লিচম্যান আরও অনেক চরিত্রের জন্য পুরস্কার জিতেছিলেন। তার মধ্যে একটি হল পিটার বোগদানোভিচের ‘দ্য লাস্ট পিকচার শো’। এই ছবিতে স্বল্প পরিসরে গৃহবধূর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য অস্কার পেয়েছিলেন তিনি। পরে তিনি ছবিটির সিক্যুয়েল ‘টেক্সাসভিল’-এও অভিনয় করেন। কিন্তু এটি তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি। দুটি ছবিই ল্যারি ম্যাকমুর্টির লেখার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।

তার অন্যান্য হাই-প্রোফাইল টেলিভিশন ক্রেডিটগুলির মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ফ্যাক্টস অফ লাইফ’-এ ​​বেভারলি অ্যান স্টিকারের চরিত্র, ‘মিডল ইন ইন দ্য মিডল’-এ গ্র্যান্ডমা ইদা ইত্যাদি। তাঁর সাম্প্রতিক ‘ম্যাড অ্যাবাউট ইউ’-এর জন্যও জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকের আবহ সিনেমা জগতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।