নয়াদিল্লি: শপথ নেওয়ার সময় তিনিই সবচেয়ে বেশি হাততালি পেয়েছেন৷ বৃহস্পতিবার নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিতীয় ইনিংশ শুরু করার জন্য তাঁর নতুন মন্ত্রিসভায় ৫৬ তম মন্ত্রী রূপে শপথ নিয়েছিলেন প্রতাপচন্দ্র ষড়ঙ্গী। ‘ওড়িশার মোদী’ নামে পরিচিত তিনি ৷ তাঁর সরল জীবন যাপনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হয়েছে বালাসোর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে আসা এই ব্যক্তি৷ তিনি পেয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং পশুপালন, ডেয়ারি ও মৎস্য মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ৷ কিন্তু তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ

কিন্তু এই ‘ওড়িশার মোদী’কে বিরুদ্ধে বেশ কিছু ক্রিমিনাল চার্জ ৷ ১৯৯৯ সালে বালেশ্বরে অস্ট্রেলীয় মিশনারি গ্রাহাম স্টেইনস ও তাঁর দুই শিশুপুত্রকে পুড়িয়ে মারার ঘটনা ঘটেছিল৷ সেই ঘটনায় বজরং দলের নাম জড়িয়েছিল আর তখন বজরং দলের রাজ্য সভাপতি ছিলেন এই প্রতাপ ষড়ঙ্গী। তবে এই ঘটনার জন্য মূল অভিযুক্ত দারা সিংহের যাবজ্জীবন জেল হয় এবং তদন্তে বজরং দল রেহাই পেয়ে যায়।যদিও প্রতাপ এই ঘটনার সঙ্গে যাবতীয় যোগ অস্বীকার করেন এবং তাঁকে কোনও রকম পাল্টা জেরাও করেননি সরকারি আইনজীবী।

তাছাড়া ২০০২ সালে ওড়িশার বিধানসভা ভবনের সামনে ভাঙচুরের হয়েছিল৷ তখন সেই ভাঙচুরের অভিযোগেও এই প্রতাপ গ্রেফতার হয়েছিলেন৷ সরল দীনদরিদ্রের মতো জীবন কাটালেও আরএসএসের এই একনিষ্ঠ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে দাঙ্গা, অগ্নিকাণ্ড, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট ইত্যাদির।

যদিও মন্ত্রী হওয়ার পর প্রতাপকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করার তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। উল্টে তাঁর যুক্তি, তিনি ঘুষ এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় অনেকের শত্রু হয়ে গিয়েছেন। পুলিশ ইচ্ছে করে তাঁকে নানা মামলায় জড়িয়েছে বলে তাঁর অভিমত। তিনি জানান, বেশির ভাগ অভিযোগই ভুল প্রমাণ হয়েছে এবং বাকিগুলিও হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।