নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার ৭২ তম সাধারণতন্ত্র দিবস। সকলেরই জানা আছে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতে সংবিধান কার্যকরী হয় এবং ওই দিনটি ভারতে প্রতি বছর সাধারণতন্ত্র বা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে এই বিষয়ে একটি প্রশ্ন যা মাঝে মাঝেই ওঠে- কোথায় সংবিধানের মূল কপিটি রয়েছে? কটি সেই কপি রয়েছে এবং সেগুলি কোথায় সংরক্ষিত রাখা আছে ?

ভারতের সংবিধানের মূল কপি রয়েছে তিনটি। এই তিনটি কপিও রাখা আছে সংসদের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে। সেখানে একটি সিকিউরিটি এনক্লোজার রয়েছে তিনটি ঘরের জন্য, সেটা পেরিয়ে অবশ্য় তা দেখা যায়।

সংবিধানের মূল কপিটি ২২ ইঞ্চি লম্বা এবং ১৬ ইঞ্চি চওড়া এবং পান্ডুলিপিটি ২৫১ পাতার। এটা করতে ২ বছর ১১ মাস ১৮ দিন লেগেছিল।
১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ভারত স্বাধীন হয় এবং ২৯ অগাস্ট সংবিধান রচনার জন্য একটি খসড়া কমিটি গঠন করা হয়। ড: বি আর আম্বেদকর এই কমিটির সভাপতি ছিলেন। খসড়া কমিটি ১৯৪৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদের কাছে খসড়া সংবিধান পেশ করে। এরপর দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা এবং সংশোধনের পর ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধানটি গৃহীত হয়। এই সংবিধানে মোট ৩৯৫টি ধারা এবং ৮টি তপশিল ছিল। গণপরিষদের সভাপতি হিসেবে ড: রাজেন্দ্র প্রসাদ এই সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। এই সংবিধান তৈরিতে মোট সময় লেগেছিল ২ বছর ১১ মাস ১৭ দিন। অন্য কোনও দেশের সংবিধান রচনাতে এত সময় লাগেনি। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি গণপরিষদের সর্বশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং ওই অধিবেশনেই ড: রাজেন্দ্র প্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

খুবই স্বাভাবিক এই মূল্যবান নথিটি সংরক্ষিত রাখার জন্য রীতিমতো ব্যবস্থা নেওয়াটা। তাই সেই মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয় যাতে কোনও ভাবেই সংবিধানের মূল কপিটি নষ্ট না হয়। এজন্য তা একেবারে হিলিয়াম গ্যাস ভর্তি একটি বাক্সে রাখা হয়েছে।

এই মূল কপিটিতে গণপরিষদের ২৮৪ জন সদস্য ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি স্বাক্ষর করেছিলেন। প্রথম স্বাক্ষরটা অবশ্য প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ করেননি, করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। এই স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রাজেন্দ্র প্রসাদ সহ ৪৬জন হিন্দিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।স্বাক্ষরকারীদের মধ্য ১৫জন মহিলা ছিলেন। এদেশের সংবিধানই পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।