স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: শারদোৎসব শেষে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালীন গ্রামে ঢুকে অবাধে লাঠি চার্জের অভিযোগ উঠলো পুলিশের বিরুদ্ধে। বাঁকুড়ার পাত্রসায়র থানা এলাকার বেলুট রসুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মামুদপুর গ্রামের ঘটনা। পুলিশের লাঠিচার্জে শিশু থেকে বৃদ্ধ, এমনকি মহিলারাও রেহাই পাননি বলে অভিযোগ।

গ্রামবাসীদের সূত্রে খবর, গ্রামে শারদোৎসব ও প্রতিমা বিসর্জন শেষে সরকারী নিয়মনীতি মেনে মঙ্গলবার রাতে ছোট্ট আকারে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছিল। গ্রামের অনেকেই সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আচমকাই গ্রামে পাত্রসায়র থানার পুলিশ ও বেশ কিছু স্থানীয় সিভিক ভল্যান্টিয়ার কোনও কিছু না বলেই লাঠিচার্জ শুরু করে। এই ঘটনায় দুগ্ধপোষ্য শিশু, গর্ভবতী মহিলা থেকে অন্যান্য মহিলা, বৃদ্ধরাও কম বেশী আহত হয়েছেন বলে গ্রামবাসীদের তরফে দাবি করা হয়েছে। এমনকি ঐ ঘটনার সময় সেখানে কোনও মহিলা পুলিশ উপস্থিত ছিলো না বলেও অভিযোগ।

গ্রামবাসী মিনতি অধিকারী বলেন, করোনা আবহে অনুষ্ঠান করা আমাদের ভুল। তবে পুলিশ কোনও কিছু না বলেই লাঠি চালাতে শুরু করে। তাঁর অন্তঃস্বত্তা বৌমাকেও পুলিশ ছাড় দেয়নি। পুলিশী লাঠিচার্জ ও ভাঙ্গচুরের মাঝেই তাঁদের মন্দিরের দু’ভরি গয়না খোয়া গিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বৃদ্ধা শিবানী ঘোষ বলেন, আমরা পাড়া গ্রামে থাকি, কোনও ধরণের অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ নেই।সেকারণে গ্রামে অনুষ্ঠান হচ্ছে শুনে দেখতে গিয়েছিলাম। তখনই পুলিশ উপস্থিত হয়ে লাঠিচার্জ শুরু করে। ঐ ঘটনায় তিনিও আহত বলে দাবি করেন।

স্কুল পড়ুয়া সৃজা কারকের কথায়, ছোড়দির সঙ্গে অনুষ্ঠান দেখতে এসেছিলাম। তখন পুলিশ এসে আমাকে মারধোর করলো। একই দাবি, গ্রামবাসী নমিতা ঘোষ, ববিতা ঘোষ, মৌসুমী কারকদেরও।

তারা বলেন, পুজো শেষে গ্রামে অনুষ্ঠান চলছিল। সেই সময় হঠাৎ গ্রামে পুলিশ ঢুকে নির্বিচারে লাঠি চার্জ করে। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধদেরও পুলিশ রেয়াত করেনি। প্রত্যেকেই কম বেশী আহত। এমনকি বেশ কিছু জিনিসপত্র পুলিশ ভাঙ্গচুর করেছে। ঐ ঘটনার সময় কোন মহিলা পুলিশ উপস্থিত ছিলনা বলে তারা দাবি করেন। যদিও গ্রামবাসীদের এই অভিযোগ প্রসঙ্গে পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।