ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে জোম্যাটো, সুইগি, ফুডপান্ডা, উবরইটসের নাম খুবই পরিচিত৷ কিন্তু, জানেন কী অ্যাপগুলির মাধ্যমে অর্ডার দেওয়া খাবার কীভাবে তৈরি হয়? আর কোথা থেকেই বা সাপ্লাই করা হয়ে থাকে?

অনেক সময়ই তদন্ত করে দেখা গিয়েছে একেবারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বানান হয়েছে সেই সমস্ত খাবারদাবার৷ কিন্তু, না জেনেই সাধারণ মানুষ দিনরাত অ্যাপগুলির উপর ভরসা করে চলেছেন৷

আরও পড়ুন: বিএনপি সমাবেশের সময় ‘ঢাকা দখল’ ঘোষণা আ.লীগের

তবে, এবার সরকার নিতে চলেছে কঠোর ব্যবস্থা৷ যার প্রভাব হাজারো ফুড বিসজেস অপারেটরদের (এফবিও) উপর পড়তে চলেছে৷ জুলাই মাসে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই) নির্দেশিকা দিয়েছে৷ যেখানে বলা হয়, যেসব ফুড বিসজেস অপারেটরদের এফএসএসএআই লাইসেন্স নেই অথবা নাম রেজিস্টার করানো নেই তাদেরকে ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে বাদ দেওয়া হবে৷

সরকারের নয়া নির্দেশকা অবশ্যই প্রভাব ফেলবে ফুড ডেলিভারি অ্যাপগুলির আয়কে৷ চলতি মাসেই শুরু হয়ে গিয়েছে ছাঁটাইপর্ব৷ সেপ্টেম্বরের শেষেই প্রক্রিয়াটি শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে৷ সূত্রের খবর, বিভিন্ন ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্ধেকেরও বেশি এফবিওর নাম বাদ পড়তে চলেছে৷ সাধারণত ফুড অর্ডারিংয়ের উপর ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলিকে ২০ শতাংশ কমিশন দেয় এফবিওরা৷

আরও পড়ুন: ‘হইচই’ নিয়ে শুরু নোংরামি, পরিচালকে প্রকাশ্যে গালি দিলেন রাহুল

ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্মগুলির (জোম্যাটো, সুইগি, ফুডপান্ডা, উবরইটস) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্ল্যাটফর্মগুলি মোট কতগুলি এফবিও রয়েছে? কিংবা কতগুলিকে এফবিওকেই বা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে, সেবিষয়ে সঠিক তথ্য জানাতে অস্বীকার করে৷

জোম্যাটে, সিইও জানান, ‘৩৪ টি শহর জুড়ে হাজারো এফবিওর নাম বাদ দেওয়ার কাজটি চলছে৷ অ্যাপ অধীনস্থ বেশীরভাগ এফবিওর এফএসএসএআই লাইসেন্স রয়েছে৷ আর যাদের নেই তারা লাইসেন্সটির জন্য আবেদন জানিয়েছে৷ সরকারের নেওয়া উদ্যোগটি কোনভাবেই আমাদের আয়কে প্রভাবিত করতে পারবে না৷’

আরও পড়ুন: বনধে বিপদে পড়লে হোয়াটস অ্যাপ করবেন যে নম্বরে..

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও