ওয়াশিংটন: মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ওব্রায়েন জানিয়েছেন, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে তাদের দেশের সেনা সংখ্যা কমিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছে। তিনি মঙ্গলবার‌ হোয়াইট হাউজে সংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, অ্যাক্টিং সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স ক্রিস্টোফার মিলার এমন নির্দেশ জারি করেন।

সম্প্রতি মার্ক এসপারকে বহিষ্কার করার পর মিলারকে তার স্থলাভিষিক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, এসপার আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সংখ্যা কমানোর বিরোধী ছিলেন।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আরও জানিয়েছেন, এই নির্দেশ অনুযায়ী ২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি নাগাদ ইরাক ও আফগানিস্তানে মোতায়েন করা মার্কিন সেনা সংখ্যা ৫,০০০ জনে নামিয়ে আনা হবে। আফগানিস্তানে বর্তমানে ৪,৫০০জন মার্কিন সেনা রয়েছে এবং ইরাকে রয়েছে ৩,২০০ জন। ক্রিস্টোফার মিলারের নির্দেশ অনুসারে আফগানিস্তানে মোতায়েন মার্কিন সেনাসংখ্যা ৪,৫০০ থেকে কমিয়ে ২,৫০০ জনে এবং ইরাকে মোতায়েন করা সেনা সংখ্যাও ৩,২০০ থেকে কমিয়ে ২,৫০০ জনে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।

তিনি এই সম্পর্কে বলেছেন, ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধের সফল ও দায়বদ্ধ সমাপ্তির যে নীতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রহণ করেছেন তা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এবার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওব্রায়েন জানিয়েছেন, ইরাক ও আফগানিস্তানে অবশিষ্ট মার্কিন সেনারা এসব দেশের মার্কিন দূতাবাসসহ অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।