বাঙালির পছন্দের ক্ষেত্রে ১০ বছরের আগের তুলনায় বলা যেতে পারে বিরাট পরিবর্তন এসেছে। একসময় যে বাঙালি ফতুয়া-পাঞ্জাবিতে অভ্যস্ত ছিল, আজ তার গায়েই চড়েছে ফ্যাশনদার টি শার্ট। শুধু জামা কাপড় না। খাদ্যাভাসেও এসেছে আমূল পরিবর্তন। এখন বেশিরভাগ বাঙালিরই পছন্দের খাবার হয়ে উঠেছে মোমো, স্যুপ, পির্জা, চিকেন কাবাব এর মতো খাবার।

আরও খবর পড়ুন – কর্ণাটকের মন্ত্রীর সেক্স স্ক্যান্ডেল: অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অভিযোগকারীর

ম্যাগি সহ একাধিক নুডলস একদিকে যেমন টিফিন হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। তেমনই, সন্ধ্যার খাবার হিসেবে স্যুপ আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে বাঙালিদের কাছে।

 

বর্তমানে বড় শহর তো বটেই, ছোট ছোট মফস্বল শহরেও স্যুপের ব্যবসা চলছে দারুণ ভাবে। সন্ধ্যে হলেই নতুন প্রজন্ম লাইন দিচ্ছে দোকানের সামনে। তবে জানেন কি এই স্যুপ কিন্তু খুব সহজে বাড়িতে বানানো যায়। ভেজ ও চিকেন এই দুই রকমেরই স্যুপ হয়।


আরও খবর পড়ুন – সেরা অফার, Paytm এ মোবাইল রিচার্জে মিলতে পারে হাজার টাকা

ইন্টারনেট থেকে আপনি অর্ডার করে টমেটো স্যুপ, চিকেন স্যুপ, ভূট্টার স্যুপ পেতে পারেন। খুব কম টাকায় এই স্যুপ আপনি বাড়ি বসেই পেতে পারেন। এরপর তো সোজা কাজ। প্যাকেট কাটুন, আর গরম জলে মিশিয়ে নিন ওই মশলা। ব্যাস, আপনার স্যুপ রেডি।

তবে প্রথম প্রথম একবারে এই স্যুপ বেশি খাওয়া উচিৎ না। সন্ধ্যায় এক বা দুটি প্যাকেট খেতে পারেন। স্যুপ একদিকে যেমন পুষ্টিকর, খেতেও তেমন সুস্বাদু। ফলে বাচ্চা থেকে বড় সকলেই স্যুপ খেতে ভালোবাসেন।

আরও খবর পড়ুন – স্টেশনে পানীয় জলের লাইনের সঙ্গে টয়লেটের পাইপের যোগ, চূড়ান্ত গাফিলতি

স্যুপের পুষ্টিগুণ-

স্যুপ শরীরের উষ্ণতা বাড়ে, যার জন্য শীতে স্যুপ খাওয়াই উচিৎ। এছাড়া স্যুপ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে স্যুপের। স্যুপ খেলে মেদ-চর্বি নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

আরও খবর পড়ুন – ঠান্ডা রক্তের প্রাণী হয়েও হিমশীতল তাপমাত্রায় বাস, রেকর্ড গড়ল পাহাড়ি সরীসৃপ

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।