নয়াদিল্লি: লক্ষ্য অখণ্ড ভারত তৈরি করা। ভারতের প্রতিটি কোনায় যাতে সমানভাবে যোগাযোগ তৈরি করা যায় সেদিকে নজর সরকারের। আর তাই স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে ভারতের প্রতিটি গ্রামকে ডিজিটাল কানেক্টিভিটির আওতায় আনার অঙ্গীকার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দিল্লির লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের দিন একগুচ্ছ ঘোষণার মধ্যে এমন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১০০০ দিনের মধ্যে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে চলেছে দেশের প্রতিটি গ্রাম।

পা্গল মোদী জানিয়েছেন, ২০১৪ অবধি ৬০টি পঞ্চায়েত এরকম সুবিধার আওতায় ছিল। বিজেপি শাসিত এনডিএ সরকারের আমলে ১.৫ লাখ গ্রামকে অনলাইন সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। আগামী ১০০০ দিনে দেশের সব গ্রামকে সংযুক্ত করা হবে।

অপটিক্যাল-ফাইবার-কেবল নেটওয়ার্ক হাই-স্পিড ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবায় ভবিষ্যত হিসেবে মানা হয়। প্রতি সেকেন্ডে ১০ জিবি ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব এই ফাইবারের মাধ্যমে।

প্রতিটি পরিষেবায় মোদী সরকার অনলাইন এবং ডিজিটাল মাধ্যমকে বেশি জায়গা দিয়েছে। গ্রামীণ ভারতের অংশগ্রহণ ‘ডিজিটাল ইণ্ডিয়া’র স্বপ্নপূরণে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অগাস্টের ১০ তারিখ, চেন্নাই-আন্দামান এবং পোর্টব্লেয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও জোর দিতে সমুদ্রের নীচ দিয়ে ২৩০০ কিলোমিটার লম্বা অপটিক্যাল ফাইবার কেবল উদ্বোধন করেছেন। সাবমেরিন অপটিকাল ফাইবার কেবল দ্বারা যোগাযোগ স্থাপন হবে পোর্টব্লেয়ার থেকে স্বরাজদ্বীপ (হ্যাভলক), ছোট আন্দামান, কার নিকোবর, কামরতা, গ্রেট নিকোবর, লং আইল্যান্ড, রনগত অবধি।

দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এই সিদ্ধান্ত। লকডাউনে বাড়ি থেকে কাজ করতে বা অনলাইন ক্লাস, পর্যটন, ব্যাংকিং, শপিং, টেলিমেডিসিন, হাজার হাজার পরিবার এই সুবিধা পেতে চলেছে।

মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দ্বীপগুলির যোগাযোগ আরও ভালো হবে। ইন্টারনেট কানেকশন বর্তমান সময়ের থেকে তিন থেকে চারগুণ শক্তিশালী হবে। ইন্টারনেটের স্পিড ৪০০ গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ডে হবে বলেই জানা গিয়েছে। উন্নত হবে ডিজিটাল পরিষেবা। টেলি-এডুকেশন, টেলি-হেলথ, ই-গভরনেন্স সার্ভিস এবং দ্বীপাঞ্চলে পর্যটন শিল্পকে আরও বাড়াতে সাহায্য করবে OFC কানেক্টিভিটি।

রেকর্ড গড়ে ২৪ মাসের কম সময়ে সমুদ্রের তলা দিয়ে এই কাজ সম্পন্ন করেছে বিএসএনএল। এবার মাত্র ১০০০ দিনের মধ্যে দেশে বাকি গ্রামগুলিকে এই সুবিধা দেবে মোদী সরকার।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও