বিজয়ওয়াড়া: বিরোধীদের মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই বিষয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কখনও মায়াবতী, কখনও চন্দ্রবাবু নাইডুর নাম উঠে এসেছে। তবে জোটের তরফে কখনও স্পষ্ট করা হয়নি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর নাম। এবার চন্দ্রবাবু জানালেন আগামী ২১ মে বিরোধী জোটের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বুধবার টিডিপি প্রেসিডেন্ট তথা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, ২১ মে অর্থাৎ ফল প্রকাশের ঠিক দু’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঠিক করতে বৈঠক করবে বিরোধী দলগুলি।

কয়েকদিন আগে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধী জোট সম্পর্কে বলেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নতুন জামা নিয়ে বসে আছেন, আর ২৩ মে-র পে সেই জামা ছিঁড়ে ফেলবেন। একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে এমন মন্তব্য করা উচিৎ নয় বলে উল্লেখ করেন চন্দ্রবাবু।

ইভিএম নিয়ে ফের একবার তিনি বলেন, ইভিএম মেশিন নিয়ে মানুষের সন্দেহ রয়েছে। ৫০ শতাংশ ভিভিপ্যাট কাউন্ট করার কথা বলেন তিনি। যে দাবি আগেও একাধিকবার তুলেছে বিরোধীরা।

তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন বিরোধী দলের হাতে থাকা রাজ্যগুলির সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্টের মত ব্যবহার করছে।

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে শরদ পাওয়ার তিনজন নেতা-নেত্রীর নাম করেন।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ”প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে নরেন্দ্র মোদীও গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। আর এনডিএর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। তাই প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবু নাইডু ও মায়াবতী।”

শরদ পাওয়ার নাকি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে দেখতে চাইছেন না। রাহুলের থেকে বরাবরই আঞ্চলিক নেতা-নেত্রীদের এগিয়ে রাখছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের এই খবর উড়িয়ে দিয়েছেন শরদ পাওয়ার। তিনি বলেন, রাহুল নিজেই একাধিক অনুষ্ঠানে বলেছেন যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে নেই। তাই এই বিষয়ে কোনও বিতর্ক থাকার কথা নয়।