ঢাকা:  বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণা শুরু হতেই দেখা যাচ্ছে ৩০০টি আসনের ২৯৯টি আসনের বেশিরভাগই দখল করছে শাসক দল আওয়ামী লীগ৷ খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কেন্দ্র গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিরোধীদের সম্মিলিত ভোট প্রাপ্তির হার মাত্র ২০৮টি ! আর শেখ হাসিনা পেয়েছেন ২ লক্ষের বেশি ভোট!

এরপরেই প্রশ্ন উঠতে চলেছে কী করে এত কম ভোট পেতে পারে বিরোধীরা৷ যদিও গোপালগঞ্জ-৩ কেন্দ্রে হাসিনার জয় নিশ্চিত ছিল৷ কিন্তু জয়ী প্রার্থীর তুলনায় বিরোধীদের ভোট পাওয়ার হার দেখে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷ এছাড়াও একাধিক আসনে প্রবল রিগিং হয়েছে বলেই অভিযোগ বিরোধী ঐক্য জোটের৷

ঢাকায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ঐক্য ফ্রন্টের প্রধান ড. কামাল হোসেন পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন৷ তিনি বলেন, দেশের প্রায় সব আসন থেকেই একই রকম ভোট ডাকাতির খবর এসেছিল। আমাদের শতাধিক প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। এই অবস্থায় আমরা নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, অবিলম্বে প্রহসনের এই নির্বাচন বাতিল করা হোক। নির্বাচনের কথিত ফলাফল আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। সেই সঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনঃনির্বাচন দাবি করছি।

বিবিসি বাংলা তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আসনে রিগিংয়ের ছবি৷ তাতে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, কীভাবে ভোটকেন্দ্রের ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে চলছে ছাপ্পা ভোট৷ আর বাইরে দাঁড়িয়ে জনতা৷ এছাড়াও একাধিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে রিগিংয়ের খবর৷

গত দশম জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে বিরোধী বিএনপি নির্বাচন মাঝপথেই বয়কট করে৷ তারপর গণতন্ত্র বাঁচাও আন্দোলন চালায়৷ জামাত ইসলামির সঙ্গে মিলে বিএনপির সেই আন্দোলন প্রবল হিংসাত্মক আকার নেয়৷ তাতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়৷