নয়াদিল্লি: লোকসভা অধিবেশন বয়কটের পরেই সংসদে জরুরি বৈঠকে বিরোধীরা। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অধীর চৌধুরী, সুপ্রিয়া সুলেরা। কৃষি বিল ও রাজ্যসভার আট সাংসদকে বরখাস্তের প্রতিবাদে লোকসভাতেও কেন্দ্র বিরোধিতায় এদিন সরব হন বিরোধীরা। বিলটি ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে শেষমেশ অধিবেশন বয়কট করেন বিরোধী সাংসদরা।

রাজ্যসভায় বিদ্রোহের আঁচ এসে পড়েছে লোকসভাতেও। মঙ্গলবার অধিবেশনের শুরু থেকে রাজ্যসভার আট সাংসদের বরখাস্ত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়ান কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলের সাংসদরা।

কৃষি বিল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারিতারও অভিযোগ তোলেন বেশ কয়েকজন বিরোধী সাংসদ। শেষমেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বে লোকসভার অধিবেশন বয়কট করেন বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দলের সাংসদরা।

অধিবেশন বয়কটের পরেই এদিন সংসদ ভবনেই জরুরি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন বিরোধী সাংসদরা। কৃষি বিল নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বড়সড় আন্দোলনে নামার ভাবনায় বিরোধীরা।

লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী, এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে-সহ একাধিক বিরোধী নেতা বৈঠকে অংশ নেন। কেন্দ্র-বিরোধিতায় সুর চড়াতে শুধু অধিবেশন বয়কট নাকি অন্য আর কী কী কৌশল নেওয়া যেতে পারে তা নিয়েই আলোচনায় বিরোধীরা।

এদিন, লোকসভার অধিবেশনের শুরুতেই কৃষি বিল ও রাজ্যসভার বিরোধী সাংসদদের বরখাস্তের প্রতিবাদে সরব হন কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির সাংসদরা। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা অধীর চৌধুরী বলেন, ‘‘রাজ্যসভা ও লোকসভা দুই ভাইয়ের মতো। যদি একজনের বেদনা হয়, অন্যজনেরও উদ্বেগ বাড়ে। কৃষি বিল নিয়েই আমাদের আপত্তি। বিলটি ফিরিয়ে নিতে হবে। বিলটি ফিরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দিলে অধিবেশন চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কোনও সমস্যা নেই।’’

যদিও বিরোধীদের আবেদনে সাড়া দেয়নি কেন্দ্র। শেষমেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বে লোকসভার অধিবেশন বয়কটে করেন বিরোধী সাংসদরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।