নয়াদিল্লি: জম্মু-কাশ্মীরে ইউরোপিয় ইউনিয়নের সাংসদের সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে ভারতীয় রাজনৈতিক মহলে। শাসক-বিরোধী চাপান-উতরের মাঝে মঙ্গলবার কাশ্মীরে আসেন ২৭ সদস্যের সাংসদদের একটি দল। জার্মানি,ফ্রান্স, বেলজিয়াম, স্লোভাকিয়া-সহ বেশ কিছু দেশ থেকে সাংসদরা কাশ্মীরের হাল হকিকত দেখতে আসেন। যদিও এই সফরকে ঘিরে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন বিরোধীরা।

কাশ্মীরে এই সফর প্রসঙ্গে বহুজন  সমাজবাদি দলের নেত্রী মায়াবতী টুইট করে জানান, ‘কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা লোপের পর কেন্দ্রীয় সরকার যদি ভারতের নেতাদের কাশ্মীরে ঢুকতে দিতেন তাহলে গণতন্ত্রের পক্ষে তা মঙ্গলজনক হত। বিরোধী নেতাদের আটকে বিদেশী সাংসদের কাশ্মীর ঘুরিয়ে সাধারণ কাশ্মীরিদের কোন লাভ হবে না।’

এর আগে গত ২৫শে অগস্ট কাশ্মীরে ঢোকার চেষ্টা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কিন্তু তাঁকে বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাংসদের এই সফর প্রসঙ্গে তিনি টুইট করে লেখেন, ‘ ইউরোপ থেকে আসা সাংসদরা গাইড নিয়ে জম্মু-কাশ্মীরের সফর করতে পারেন। কিন্তু, নিজের দেশের বিরোধী নেতারা কাশ্মীরে ঢুকতে পারেন না। এর থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় ওখানে কতটা ভয়ের পরিবেশ রয়েছে।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাংসদের এই সফরকে কটাক্ষ করেছেন সিপিআইএম পলিটব্যুরো নেতা সীতারাম ইয়েচুরি।

এই সফরকে কটাক্ষ করে তিনি টুইট করেন, ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং ভারতের পার্লামেন্টকে অবমাননা করা হল। এখানে দেশের সাংসদ,নেতাদের কাশ্মীরে ঢুকতে দেওয়া হয়না। এমনকি কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীদের কিংবা সাংসদদের আটক করে রাখা হয়। অপরদিকে বিদেশী নেতা-সাংসদদের কাশ্মীর ভ্রমণ করা হয়।’

জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকেই জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করে। অঘোষিত কার্ফুর চেহারা নেয় গোটা উপত্যকা। তারপর ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরলেও বারংবার অশান্ত হয়ে উঠেছে কাশ্মীর। এর মাঝেই বিদেশী সাংসদদের এই সফরকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিরোধী শিবির।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা