বেঙ্গালুরু: পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অভিজানে ফাঁস হল নারী পাচারের এক চক্র। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বেঙ্গালুরু এলাকায়। জানা গিয়েছে সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অধিকর্তাদের তল্লাশিতে ফাঁস হয়েছে ওই চক্র। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা গিয়েছে ওই চক্রের মাথা উগান্ডার এক মহিলা। তবে অন্য কেউ এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে কিনা তা জানার জন্য শুরু হয়েছে তদন্ত।

জানা গিয়েছে অভিযুক্তদের মধ্যে দুজনের নাম নাক্কাই ফাইনাহা এবং ফাইজুল্লা আহমেদ।

জানা গিয়েছে, ফাইনাহা উগান্ডার এক বাসিন্দা। তবে কি কারণে ভারতে এসেছিল তা জানার জন্য শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে জানা গিয়েছে আহমেদ রামামুরথি এলাকার বাসিন্দা বলেও জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের তরফে শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা গিয়েছে ওই চক্র চালানো হচ্ছিল একটি রেসিডেনশিয়াল বিল্ডিং থেকেই। জানা গিয়েছে সূত্র মারফত খবর পেয়েই ওই এলাকাতে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

ওই জায়গা থেকে বেশ কয়েকজন মহিলাকে উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে অভিযুক্ত ফাইনাহা নিজের নাগরিকত্বের কোন কাগজ বা পাসপোর্ট পেশ করতে পারেননি। তবে কিভাবে তিনি ভারতে এলেন তা নিয়ে দেখা গিয়েছে প্রশ্ন।

জানা গিয়েছে ভিসা নিয়ে ভারতে এলেও ওই মহিলার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও বেআইনি ভাবে ভারতে ছিলেন। এই ভাবে শহরের মধ্যে থেকে এই ধরনের চক্র ফাঁস হওয়াতে অবাক সাধারণ মানুষজন। তবে পুলিশের তরফে বিস্তারিত ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।