কলকাতা : কংগ্রেস (Congress), আইএসএফ (ISF)-কে পাশে বসিয়ে সংযুক্ত মোর্চা তথা বামফ্রন্ট (Left Froont) চেয়ারম্যান বিমান বসু (Biman Basu) শুক্রবার যে প্রার্থী ঘোষণা করলেন সেটা সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী না বামফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা সেটা স্পষ্ট হলো না। বিমান বসু নিজেই অবশ্য সাংবাদিক সম্মেলন শুরুর সময় বলে দিলেন, “আজ যে প্রার্থীর নাম প্রকাশ করছি তা কোনও কোনও ক্ষেত্রে চূড়ান্ত বোঝাপড়া হয়নি।” বিমানবাবুর প্রার্থী তালিকা (Candidate List) ঘোষণায় সেটা আরও স্পষ্ট হয়ে গেলো।

বিমান বসু এদিন বলেন, “আমরা অনেক আগে থেকেই কংগ্রেসের সঙ্গে একসঙ্গে আন্দোলন করছি। করোনার সময় আমরা বুকে পোস্টার ঝুলিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তার পর আইএসএফ-এর জন্ম। তারা আমাদের সঙ্গে পরে এসেছেন। তাই এইএসএফ-এর সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে এখনও কিছুটা সময় লাগবে।”

এদিন বিমান বসু এগরা, পিংলা ও নন্দীগ্রামের (Nandigram) প্রার্থীর নাম জানান নি। বিমান বসু বলেন, “নন্দীগ্রাম এবার ঠিক হয়নি। এটা এবার হেভি ওয়েট সেন্টার। এছাড়াও এগরা ও পিংলার প্রার্থী নির্বাচন হয়নি। তাই এই তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম জানানো গেলো না।”

এদিকে কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের প্রার্থীর নাম সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটি থেকে ঘোষণা হয়। তাই আমরা আজ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারলাম না। তবে রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপি যে নাটক শুরু করেছে তাতে এই শক্তিকে সরাতেই হবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা এক হয়েছি। আমাদের সঙ্গে আইএসএফ এসেছে। তবে এখনও কিছুটা সমস্যা আছে , সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই।”

আইএসএফ নেতা এদিন বলেন, “আমরা আজ প্রার্থী ঘোষণা করছি না। তবে আমরা কলকাতা থেকেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবো দু’তিন দিনের মধ্যে। আমাদের প্রতীক আমরা পেয়ে যাবো।”

বিমান বসু বলেন, “সংযুক্ত মোর্চার তরফে একটা বক্তব্য থাকবে সেখানে সব শরিকের সই থাকবে। বামফ্রন্টের তরফে একটা ম্যানিফেস্টো প্রকাশিত হবে।”

বিমানবাবু এদিন বলেন, “তৃণমূল ও বিজেপি বোঝাপড়া করে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। তাই তৃণমূল কংগ্রেস কী করলো সেটা আমাদের বিচার্য নয়। আমাদের তালিকাতেও নতুন আছে, ৪০-এর বেশি বয়সের প্রার্থী আছে ।”

বিমান বসু এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “যারা রাজ্যে বিজেপিকে বাড়তে সাহায্য করেছে তারা আজ বলছে বিজেপির সঙ্গে বামেদের বোঝাপড়া। ইটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায় মানায় না। পশ্চিমবঙ্গের সমান শত্রু বিজেপি ও তৃণমূল। আমাদের লড়াই এই দুই দলের বিরুদ্ধে ।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.