নয়াদিল্লি : সরকারি রিপোর্ট আশার আলো দেখাচ্ছে। রিপোর্ট বলছে গোটা দেশের মোট করোনা আক্রান্ত রোগিদের মধ্যে মাত্র ৪.১৬ শতাংশ রোগির ভেন্টিলেটর প্রয়োজন হচ্ছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া তথ্যে ওই রিপোর্ট বলছে প্রায় ২৭,৩১৭ জন বা মোট আক্রান্তের ১৫.৩৪ শতাংশ রোগিকে আইসিউতে ভর্তি করতে হয়েছে। ২৮,৩০১ জনকে বা মোট আক্রান্তের ১৫.৮৯ শতাংশকে দিতে হয়েছে অক্সিজেন সাপোর্ট।

বুধবার রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন মোট অ্যাক্টিভ কেসের মধ্যে জুনের ২২ তারিখে আইসিউতে ছিলেন ২.৫৩ শতাংশ। সেখানে জুনের ২৩ তারিখে সংখ্যাটা হয় ২.৫৭ শতাংশ। বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে আরোগ্যের হার দ্রুত বাড়ছে।

এতকিছুর মাঝে একটু হলেও মিলেছে স্বস্তির খবর। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় এবার সরাসরি ব্যবহার তথা প্রয়োগ করা হবে রিমদেসিভির ওষুধ। কিছুদিন আগেই করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় এই ওষুধ ব্যবহারের কথা ঘোষণা করেছিলো মহারাষ্ট্র সরকার। এবার মহারাষ্ট্র সরকারের দেখানো পথেই হাঁটতে চলেছে কেন্দ্র।

বুধবার মাইলস্টোন গড়েছে ভারত। নভেল করোনা ভাইরাসের জন্য একদিনে ২ লাখ স্যাম্পেল টেস্ট করে বড় অর্জন করেছে দেশ, এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

বিবৃতিতে জানান গিয়েছে, “সরকারি ল্যাবরেটরিতে এখনও অবধি ১,৭১,৫৮৭টি এবং বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে ৪৩,৬০৮টি স্যাম্পেল পরীক্ষা করা হয়েছে। এর সঙ্গে একদিনে স্যাম্পেল টেস্টে নজির গড়েছে বেসরকারি ল্যাবরেটরি”।

এদিকে, দেশে ফের সর্বোচ্চ হারে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘন্টায় আবারও লাফিয়ে বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে আক্রান্ত হলেন ১৬ হাজার ৯৩৩ জন। মৃত্যু হয়েছে আরও ৪১৮ জনের।

নতুন করে মৃত্যু ও সংক্রমণের জেরে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ১০৫ এ। মৃত্যু হয়েছে মোট ১৪,৮৯৪ জনের। দেশে এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ১ লক্ষ ৮৬ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লক্ষ ৭১ হাজার ৬৯৭ জন।
২২শে জুন প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট বলছে, ভারতে মৃত্যুর হার প্রতি লক্ষ মানুষে সবচেয়ে কম। প্রতি লক্ষ মানুষে ভারতে মৃত্যুর হার গড়ে ১৫৪ জন। বিশ্বের মৃত্যুর নিরিখে ভারতে মৃত্যুর হার ৬গুণ কম বলে জানাচ্ছে হু।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I