কলকাতা : সোমবার বিকালে বিধ্বংসী আগুন লাগে কয়লাঘাটার রেল অফিসে। রাত১১ টা নাগাদ সাত জনের মৃত্যুর খবর মেলে। রেলে ভবনে আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে ১০ ঘণ্টা পড়ে। সোমবার সন্ধ্যা ৬.১০ মিনিটে আগুন লাগার পর। মঙ্গলবার ভোর ৪.১০ নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। প্রাণ গিয়েছে ৯ জনের। পাশাপাশি প্রভাব পড়েছে রেলের টিকিট বুকিংয়েও।

জানা গিয়েছে এই আগুন লাগার ফলে রেলের সার্ভার রুমে আগুন লাগে। এর জেরেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে অনলাইন টিকিট বুকিং এর ব্যবস্থা। পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই আগুনের জেরে অনলাইন রিজার্ভেশন বন্ধ রয়েছে। আপাতত বন্ধ রয়েছে পূর্ব রেল, দক্ষিণ-পূর্ব রেল ও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের বুকিং। শুধুমাত্র এমারজেন্সি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বাকি পরিষেবা ঠিক হতে সময় লাগবে বলে খবর মিলছে।

সোমবার বিকালে বিধ্বংসী আগুন লেগে যায় কয়লাঘাটার রেল অফিসে। সোমবার রাত১১ টা নাগাদ সাত জনের মৃত্যুর খবর মেলে। পরে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। মঙ্গলবার সকালে টুইট করে মোদী বলেন, “কলকাতায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় দুঃখিত। যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি। আশা করছি, আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।”

প্রসঙ্গত , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ঘটনা নিয়ে দাবী পালটা দাবী হয়েছে রেল মন্ত্রীর সঙ্গে। সোমবার গভীর রাতে মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের বক্তব্যের উত্তর দেন রেলমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন রেল সহায়তা করেনি। পীযূষ গোয়েল মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ খারিজ করে দেন। তিনি বলেন রেলের পক্ষ থেকে সমস্ত প্রকার সাহায্য করা হয়েছে। তিনি তাঁর এই কথা জানান রাত ১.১৯ মিনিটে।

রেলমন্ত্রী টুইট করে লেখেন, ‘মৃত নয়জনের পরিবারকে আন্তরিকভাবে সমবেদনা জানাব। রেলের জেনারেল ম্যানেজার সহ একাধিক কর্তা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সব কাজ করা হয়েছে। রাজ্যর সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাত প্রায় সাড়ে ১১টা নাগাদ কয়লাঘাটায় পূর্ব রেলের ওই অগ্নিদগ্ধ অফিসের সামনে পৌঁছেছিলেন। প্রথমে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, দমকল ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথাও বলেন। এরপর ঘটনার প্রতি এবং মৃতদের প্রতি দুঃখপ্রকাশ করে তিনি বলেন , ‘দুর্ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না, তবে রেলের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়নি।’

তিনি এও বলেছিলেন, ‘‘এটা রেলের ভবন। অনেক পুরনো। এখানে অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মোট ৭ জনের (তখনও পর্যন্ত) মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। দমকলের কাছে শুনেছি, তাঁরা লিফট দিয়ে উঠতে গিয়েছিলেন। সেই লিফটই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং তাঁরা ঝলসে মারা যান।’’

রেলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা এও বলেছিলেন, ‘‘এটা পুরোটাই রেলের জায়গা। কিন্তু এখনও তাঁরা কেউ আসেননি। আমাদের দমকলের পক্ষ থেকে একটা মানচিত্র চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটা দেওয়া হয়নি। দুর্ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না। মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.