কলকাতা : সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মান জানিয়ে ৮ তারিখ তিতুমির কেন্দ্রের সভাকক্ষে পুরষ্কৃত করা হল ইন্দো-বাংলা আন্তর্জাতিক অনলাইন চলচ্চিত্র উৎসবের বিজয়ীদের। সেই বিজয়ী তালিকাও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। সেখানে প্রবীণ সাংবাদিক থেকে আছেন বর্তমান কার্যরত শিশুশিল্পী। দুপুর ৩টে থেকে শুরু হবে এই অনুষ্ঠান। এমনকি করোনার জেরে এই সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি অনলাইন হবে, এবং তাঁর সাক্ষীও থাকতে পারেন আপনি।

ইন্দো বাংলা আন্তর্জাতিক সম্মানে সম্মানিত সকল ব্যক্তিরা হলেন আশীস কুমার দাস (প্রধান শিক্ষক- বনমালীপুর সন্তোষ ভট্টাচার্য মেমোরিয়াল হাইস্কুল), অভীক ভট্টাচার্য ( চলচ্চিত্র অভিনেতা), দিলীপ পাল (প্রবীণ সাংবাদিক), মৃত্যুঞ্জয় রায় (সাংবাদিক), অরিজিৎ দে (চলচ্চিত্র পরিচালক), রমেন দাস (নবীন সাংবাদিক), সহেলী মুখার্জি (বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী), ইন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (অভিনেতা), সোমনাথ দাস (চলচ্চিত্র পরিচালক), মধুশ্রী রায় (শিশু অভিনেত্রী)।

এদিকে মহামারীর কারণে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও ভার্চুয়াল ছোঁয়া। নবান্ন সভাঘর থেকে ভার্চুয়ালি ২৬তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খান।

বুধবার ট্যুইটে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘আমরা সকলে একসঙ্গে মরামারীর মোকাবিলা করছি, আর তা কাটিয়ে উঠব। কিন্তু দ্য শো মাস্ট গো অন। আমরা ২০২১ সালের কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছি, তবে ছোট ভাবে, ভার্চুয়ালি এর উদ্বোধন হবে। ৮ জানুয়ারি বিকেল চারটের সময় আমার ভাই শাহরুখ খান ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তাঁকে ধন্যবাদ।’

এবার ২৬ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২১ সালের ৮ জানুয়ারি শুরু হলেও আদতে এটা ২০২০ সালের নির্ধারিত উৎসব। তাই এই উৎসবের শতবর্ষ উদযাপনও হচ্ছে ২০২০র নিরিখে। এ বারের এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ইতালিয়ান চলচ্চিত্রকার ফেদেরিকো ফেলিনির একগুচ্ছ ছবির একটি প্যাকেজ। গত বছরটা ছিল ফেলিনির শতবর্ষের বছর। তাঁর জন্ম ১৯২০ সালের ২০ জানুয়ারি।

এই প্যাকেজের বড় আকর্ষণ ‘দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট লা দলচে ভিটা’ নামের একটা সেমি ফিকশনাল ছবি, যেটা তৈরিই হয়েছে ২০২০ সালে। ফেলিনির মৃত্যুর পরে ছবিটি বানিয়েছিলেন প্রযোজক গাইয়া গোভিনি। ফলে কলকাতায় এই ছবির প্রদর্শনও এই প্রথম। এর বাইরে আর যে চারটে ছবি দেখানো হচ্ছে সেগুলো হল ‘আই ভিতেলোনি’ (১৯৫৩ ), ‘লা দলচে ভিটা’ (১৯৬০ ), ‘৮ ১/২ ’ বা ‘সাড়ে আট’ (১৯৬৩), ‘জুলিয়েট অফ দ্য স্পিরিটস’(১৮৬৫)। এবং ” দ্য ভয়েস অফ দ্য মুন ” (১৯৯০)। এই ছবিটিই তাঁর শেষ ছবি। ১৯৯৩ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।