নয়াদিল্লি: ভারতে প্রতিটা দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে দেশের পরিস্থিতি সংকটের দিকে দাঁড়িয়ে। মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে টিকা পর্ব শুরু করেছে সরকার। তবুও যেন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না এই ভাইরাসকে। ক্রমবর্ধমান ভাবে সংক্রমণের হার বেড়ে চলার কারণে দিল্লি সরকার সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ করেছে আগেই। বাতিল করা হয়েছে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষাও। আর এইবার দিল্লি সরকার অফলাইনের সঙ্গে অনলাইন ক্লাসও বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গরমের ছুটির কারণে।

বুধবার কেজরিওয়ালের সরকার অফিশিয়ালি ঘোষণা করে, অনলাইন পঠন পাঠন বন্ধ রাখা হবে গরমের ছুটির কারণে। এই গরমের ছুটির মেয়াদ রাখা হয়েছে ২০ তারিখ থেকে আগামী জুন মাসের ৯ তারিখ পর্যন্ত। রাজ্যের সকল ছাত্র এবং শিক্ষকদের করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে সরকারি স্কুলের পাশাপাশি গরমের ছুটির তালিকায় রাখা হয়েছে বেসরকারি স্কুলগুলিকেও।

দ্য ডাইরেক্টর অব এডুকেশন (ডিওই) সোমবার কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে গরমের ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথমে এই ছুটির মেয়াদ করা হয়েছিল ১১ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত। তবে প্রতিদিন দেশজুরে সংকমণ বেড়ে চলার কারণে তা বদল করে রাখা হয় ২০ এপ্রিল থেকে ৯ জুন পর্যন্ত।

ডিওই একটি অফিশিয়াল অর্ডার জারি করে জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য গরমের ছুটি এগিয়ে দেওয়া হয়েছে ছাত্র এবং শিক্ষকদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে। এর পাশাপাশি আরও উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, এই সময়ে বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলগুলি শিক্ষার জগতের নতুন পথ গ্রহণ করে অনলাইন শিক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। আর এই কারণে দ্য ডাইরেক্টর অব এডুকেশন (ডিওই) সমস্ত বেসরকারি বিদ্যালয়গুলিকে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে গরমের ছুটির কারণ হিসেবে। সরকারি বিদ্যালয়গুলির পাশাপাশি বেসরকারি বিদ্যালয়গুলিকেও গরমের ছুটিতে বন্ধ রাখতে হবে অনইলাইন শিক্ষা পরিষেবা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.