স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রসেসিং ফি হিসাবে কলেজগুলি সর্বোচ্চ কত টাকা পারবে তা নির্দিষ্ট করে দিল রাজ্য সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের এমনই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে উচ্চ শিক্ষা দফতর।

ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, অনলাইনে ফর্ম তোলা, জমা দেওয়া, বিভিন্ন তথ্য বা সার্টিফিকেট আপলোডিংয়ের জন্য প্রসেসিং ফি হিসেবে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা নিতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে।

সাধারণত কলেজগুলি এই অনলাইনে ভর্তির জন্য ফর্ম তোলা, জমা দেওয়া সহ ভর্তি সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জন্য কোন কোন কলেজ প্রসেসিং ফি হিসেবে ৩৫০ – ৪০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এবার উচ্চ শিক্ষা দফতর ১৫০ টাকার থেকে এক টাকাও বেশি ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে নেওয়া যাবে না।

ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ছাত্রসংগঠন ভর্তির ফি মকুব সহ বিভিন্ন দাবি জানিয়েছে। যদিও এব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি উচ্চশিক্ষা দফতর।

উল্লেখ্য, কলেজে দুর্নীতি এড়াতে আগেই অনলাইন ব্যবস্থা চালু করেছিল রাজ্য শিক্ষা দফতর। এবারে সেই সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই বহাল থাকছে। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সেন্ট্রালাইজড অনলাইন অ্যাডমিশন সিস্টেমের মাধ্যমে কলেজগুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে এবিভিপি।

বিদ্যার্থী পরিষদের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্ত সম্পাদক শ্রী সুরঞ্জন সরকার জানিয়েছেন, “প্রতিবছরের মতো এবছরও আমরা স্পষ্ট দাবি জানাচ্ছি সমস্ত ভর্তি প্রক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সেন্ট্রালাইজড অনলাইন অ্যাডমিশন সিস্টেমের মাধ্যমে করতে হবে। এবং সেইসাথে কোভিড মহামারী পরিস্থিতিতে এই বছর সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে অ্যাডমিশন ফি’স মুকুব ও প্রথম সেমিস্টারের ফি’সও মুকুব করতে হবে। এছাড়াও আগামীদিনে ভিন্ন ভিন্ন কলেজের বিভিন্ন দাবি বিদ্যার্থী পরিষদ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের সামনে তুলে ধরতে থাকবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।