স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মে মাস থেকেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের (NCTE) গাইডলাইন মেনে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্য সরকারের এই নির্দেশিকা হাতে পেয়েছেন বলে বুধবার জানান পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।

পর্ষদ সভাপতি বলেন, কতজন আবেদনকারী রয়েছেন এবং আনুষঙ্গিক বিষয় খতিয়ে দেখে তারপরই পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক করা হবে। তবে কতগুলি শূন্যপদ রয়েছে সে বিষয় মন্তব্য করতে চাননি মানিকবাবু। তিনি বলেন, শূন্যপদের ক্ষেত্রে যখন পৃথক নির্দেশিকা জারি করা হবে তখন শূন্যপদ জানিয়ে দেওয়া হবে।

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে ফের টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট নিতে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য শিক্ষা দফতর। রাজ্যে ফের প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও পরীক্ষার দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

প্রথম থেকে একের পর এক মামলার ফাঁসে জড়িয়ে পড়ছে টেট পরীক্ষা ৷ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ অবশেষে জট মুক্ত করতে উদ্যোগ নিয়ে রাজ্য শিক্ষা দফতর ৷ সমস্ত অভিযোগ ও বিতর্কের অবসান ঘটাতে ফের টেট পরীক্ষা নেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৷ কিন্তু এর সঙ্গে আরও একটি নির্দেশ জারি করা হয়েছে যা বেশ চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে পরীক্ষার্থীদের জন্য৷

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ ছাড়া আর টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট পরীক্ষায় বসার অনুমতি পাবে না কেউ৷ আগে অবশ্য প্রশিক্ষণ ছাড়াই বসা যেত টেট পরীক্ষায়৷ টেট পরীক্ষা দিতে হলে উচ্চমাধ্যমিকে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ পেতে হবে ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হতে হবে৷ সোমবার এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.