ঢাকা: লাগাতার মূল্য বৃদ্ধির পর আমদানি করা পেঁয়াজে কিছুটা ধাক্কা সামাল দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পাইকারি ও খুচরো বাজারে বিদেশি পেঁয়াজ ঢুকলেও দেশি ফসল হচ্ছে রাতারাতি চুরি। এই পেঁয়াজ চোরদের ধরতে হিমশিম অবস্থা প্রশাসনের।

বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় জমির পর জমিতে পেঁয়াজ হচ্ছে চুরি। রাতের দিকে হানা দিচ্ছে এই চোরের দল। ফসল কেটে ফাঁক করে দিয়েছে ক্ষেত। পেঁয়াজ চোরদের হানায় রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে কৃষকদের। রাত জেগে চলছে পাহারা। এত সবের পরেও হানা চলছেই।

সাতক্ষীরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ হয়েই থাকে। বিজিবি এবং বিএসএফ সেটা রুখতে মরিয়া। অভিযোগ, সাতক্ষীরার পেঁয়াজ চুরি করে বাংলাদেশ থেকে বাইরে পাচারের কাজ চলছে। তবে কালোবাজারি চালু রাখতে বিভিন্নস্থানে চলছে অবৈধ পেয়াজ মজুত।

ভারতেও পেঁয়াজের অগ্নিমূল্য। সেই ধাক্কা লেগেছে বাংলাদেশেও। সাতক্ষীরার চাষীরা জানিয়েছেন, চলতি বছর পেঁয়াজের দাম বিরাট বৃদ্ধি পাওয়ায় পেঁয়াজ বীজেরও দাম বেশি। এর ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়েছে চাষে। সেই বীজ পেঁয়াজ জমি থেকে চুরি হতে থাকায় লোকসান আরও বাড়ছে। দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে সংকট তীব্র হবে।

মাস খানেক আগে বাংলাদেশে পেঁয়াজের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগাল ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তারপরে মিশর, তুরস্ক পাকিস্তান থেকে আমদানি করে কিছুটা পরিস্থিতি সামাল দেও.াা হয়। তবে ভারতে পেঁয়াজের দাম কমলেও তার ঝাঁঝে এখনও না কাল মধ্যবিত্ত।

কিন্তু পেঁয়াজ চোরদের ঠেকাবে কে, প্রশাসন চিন্তিত। চাষীরা আকঙ্কিত। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, পেঁয়াজ চোরদের বেশি উৎপাত সাতক্ষীরার কলরোয়া উপজেলা দিগং গ্রামে। এখানেই জমির পর জমিতে তারা লাগাতার হানা দিয়ে চলেছে।