নয়াদিল্লি: পেঁয়াজের জন্য এখন থেকে আর চোখের জল পড়বে না। কমপক্ষে আগামী ৩১ জানুয়ারি অবধি তো নয়ই। কারণ মোদী সরকার পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে নিয়ম ৩১ জানুয়ারি অবধি বাড়িয়ে দিয়েছে। পেঁয়াজের দেশীয় সরবরাহ বাড়ানো ও খুচরো বাজারে মূল্য কমাতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র।

কৃষি মন্ত্রক জানিয়েছে, বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পেঁয়াজ আমদানির বিধিগুলিতে দেওয়া শিথিলতা ৩১ জানুয়ারী ২০২১ অবধি বাড়ানো হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্তও আছে।

আরও পড়ুন – বড় ধাক্কা, তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রীর পথে হেঁটেই তৃণমূল ছাড়লেন একাধিক তৃণমূল নেতার

আধিকারিকরা আমদানিকৃত চালান পরীক্ষা করবেন এবং পেঁয়াজকে কীটনাশক মুক্ত করার পরেই ছাড়া হবে। এছাড়া আমদানিকারকদের কাছ থেকে এইফিডেভিট-এ শর্ত হিসেবে বলা হচ্ছে কেবল মাত্র ব্যবহারের জন্যই পেঁয়াজ আমদানি করা হবে। কোনোরকম সংরক্ষণ করা চলবে না।

পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে, কেন্দ্রীয় সরকার খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের ওপর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্টক রাখার পরিমাণ সীমাবদ্ধ করেছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা কেবলমাত্র দুই টন পর্যন্ত পেঁয়াজ স্টক করতে পারবেন, অন্যদিকে পাইকাররা ২৫ টন পর্যন্ত রাখার অনুমতি পেয়েছেন।

আরও পড়ুন – ‘জয় শ্রী রাম স্লোগান তুলে যোগ দেব’, প্রাক্তন তৃণমূলমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেই বিক্ষোভ বিজেপিতে

কীভাবে এই দাম কমল? পেঁয়াজের দাম কমাতে সরকারকে জরুরি পণ্য (সংশোধনী) আইন কার্যকর করতে হয়েছিল, সম্প্রতি এই আইন সংসদে পাস হয়েছিল।

এর আগে অবধি পেঁয়াজের দামের ঝাঁজে চোখে জল ছিল মধ্যবিত্তের। করোনার জেরে এমনিতেই দেশের একটি বড় অংশের মানুষ আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত ছিলই। এর ওপরে মাঝে পেঁয়াজের দাম বাড়ায় চোখের জলে নাকের জলে হতে হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। কোথাও-কোথাও পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১১০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। তবে এবার আপাতত ৩১ জানুয়ারি অবধি নিশ্চিন্ত হতে পারে সাধারণ মানুষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।