নয়াদিল্লি: জোগান কমছে , তাই পেঁয়াজের দাম আর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না সরকারের পক্ষে। শুক্রবার একধাক্কায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। দিল্লির আজাদপুর মান্ডির বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি চিহ্নিত করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য বাজারেও মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

নাসিকের লাসালগাঁও বাজারে বৃহস্পতিবার কুইন্টাল প্রতি ১০০০ টাকা করে বাড়ে পেঁয়াজের দাম। গত চার বছরে কখনও এত চড়া দামে বিকোয়নি পেঁয়াজ। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে পেঁয়াজের কোনও বিকল্প নেই। তাই স্বাভাবিকভাবেই মাথায় হাত পড়েছে মধ্যবিত্তের।

জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্র বা কর্ণাটকের অত্যাধিক বৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হয়েছে। তাই চাহিদা অনুযায়ী ঠিকমত জোগান আসছে না। পেঁয়াজের রফতানি যাতে কমানো সম্ভব হয়, তার জন্য রফতানির দামে লাগাম দিয়েছে সরকার। টন প্রতি ৮৫০ ডলারের নীচে পেঁয়াজ রফতানি করতে নিষেধ করা হয়েছে।

অনিয়ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রাজেন্দ্র শর্মা বলেন, আজাদপুর মান্ডি বাজারে এসেছে ১০২৬ টন পেঁয়াজ, আর দিল্লিতে চাহিদা অন্তত ৩০০০ টনের। তাই স্বাভাবিকভাবেই এই দাম বেড়েছে হু হু করে। শুক্রবার লাসালগাঁও মান্ডিতে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে প্রতি ১০০ টাকায় ১৫০০-৫১০০ টাকা দরে।

বাজপেয়ী জমানায় এনডিএ সরকারের হারের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল পেয়াঁজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। সেই সময় শার্ট কিনলে ২ কেজি পেঁয়াজ ফ্রি দিচ্ছিল নামী সংস্থা। দ্বিতীয় মোদী সরকারের আমলেও চড়ছে পেঁয়াজের দাম। বৃবৃহস্পতিবার পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৪,৫০০ টাকা প্রতি কুইন্টাল।

এর আগে পেঁয়াজের দাম সবচেয়ে বেশে বেড়েছিল ২০১৫-র ১৬ সেপ্টেম্বর। সেদিন এক কুইন্টাল পেঁয়াজের দাম পৌঁছয় ৪৩০০ টাকায়। এখনও পর্যন্ত পেঁয়াজের দাম সবচেয়ে বেশি উঠেছে ২০১৫-র ২২ আগস্ট। সেদিন এক কুইন্টাল পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৫৭০০ টাকায়।