ঢাকা: গত সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে এখন ১৮০ টাকায় পৌঁছেছে। এই নিয়ে কিছুদিন আগে ব্যবসায়ীদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। তিনি বলেন, “সবকিছু পথে আনতে হবে। ক’দিন আগে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। মাঝে কমেছে, আবার বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা কী করছে এটা আমি বুঝি না। যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে। এটা তো হতে পারে না।”

এর আগে ২৫০ টাকায় পৌঁছেছিল পেঁয়াজের দাম। সম্প্রতি কিছুটা দাম কমলেও তা সাধ্যের মধ্যে নেই। এ কারণেই অসন্তোষ প্রকাশ রাষ্ট্রপতির। সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে ভারত। ঠিক এর পরেই ৩০-৪০ টাকার পেঁয়াজের দাম হু হু করে বাড়তে থাকে। বাংলাদেশর জনগণ এ কারণে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সির পদত্যাগ দাবি করেছেন।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, ভারত সরকার প্রায় ১৮ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাংলাদেশের কাছে বিক্রি করতে চাইছে। আগামীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি হবে কিনা তা নিয়ে বৃহস্পতিবার মুখ খুললেন টিপু মুন্সি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এখানে এখনও কোনো প্রপোজাল পাইনি, তাছাড়া আমাদের কনসিডারেশনেও নেই। তারা ফরেন মিনিস্ট্রি হয়ে কথা বলেছে, তারা হয়ত প্রোপজ করতে পারে, আমাদের এ বিষয় জানা নেই।”

ভারতের পেঁয়াজ আমদানি প্রসঙ্গে টিপু মুনশি বলেন, “যদি প্রস্তাব আসে তাহলে তখনকার অবস্থা দেখে বিবেচনা করব কী ধরনের প্রপোজাল। আর আমার তো নিজেরাই সরাসরি আমদানি করছি। তারপরও যদি সুইটেবল হয় দেখা যাবে। তবে আমাদের এটি এখন কনসিডারেশনে নেই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.