মালদহ: ব্যাংক শব্দটি শুনলেই মাথায় আসে টাকা জমা রাখার জায়গা৷ সুরক্ষিতভাবে টাকা রাখার অন্যতম জায়গাই হচ্ছে ব্যাংক৷ কিন্তু মালদহে আছে ‘রুটি ব্যাংক’৷ মনে হচ্ছে তো রুটি ব্যাংক আবার কি? এখানে সংগ্রহ করা হয় রুটি৷ তারপর সেই রুটি বিতরণ করা হয় দুঃস্থদের মধ্যে৷

আরও পড়ুন- রাজীব মামলায় দ্রুত শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই

বছর খানেক আগের কথা৷ জেলার হরিশচন্দ্রপুরের বাসিন্দা তনুজ জৈনের মস্তিষ্ক প্রসূত এই রুটি ব্যাংক তৈরি হয়৷ তারই বর্ষপূর্তি পালিত হল হরিশ্চন্দ্রপুরে৷ উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সব্যসাচী রায়, বিডিও অনির্বাণ বসু। এছাড়াও ছিলেন এলাকার সমস্ত দুঃস্থরা৷

জানা গিয়েছে,এলাকার সমস্ত বাড়ি থেকে অল্প পরিমাণে রুটি সংগ্রহ করা হয় এই রুটি ব্যাংকে৷ তারপর সেগুলি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় মজুত করা হয়৷ সঙ্গে তৈরি করা হয় সবজি৷ প্রতিদিন ব্যাংকের পক্ষ থেকে কয়েকশো দরিদ্র মানুষের মধ্যে এই রুটি ও সবজি দুবেলা বিতরণ করা হয়৷

আরও পড়ুন- সিপিআইএম নেতার ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অস্বস্তিতে দল

তনুজ জৈন বলেন, ‘‘মানুষের বাড়িতে প্রচুর খাবার নষ্ট হয়। আবার আমাদের দেশে প্রচুর মানুষ প্রতিদিন অভুক্ত থাকে। সেই বেঁচে যাওয়া খাবার যাতে নষ্ট না হয় ও সেই খাওয়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করা যায়। এই ছিল চিন্তা ভাবনা। এর থেকেই পথ চলা শুরু। তারই বর্ষপূর্তি পালন হল এদিন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।