বস্টন (পিটিআই): এক টুকরো ফ্র্ট কেকের দাম কত হতে পারে? তাও আবার কেকটি যদি ৩৭ বছর আগের হয়! নাহ্, কোনও হেঁয়ালি নয়, সম্প্রতি এমনই এক টুকরো ফ্রুট কেকের দাম নিলামে চড়েছে মাত্র ৮০০ ডলারে!

ভাবছেন, কি এমন মূল্যবান ‘ফ্রুট’ রয়েছে কেকটিতে৷ হবে না কেন! এ যে খোদ আমেরিকায় যুবরানি ডায়না এবং যুবরাজ চার্লসের বিয়ের কেক। সেটা ১৯৮১ সালের ঘটনা৷ রাজা-রানির বিয়েকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছিল চোখ ধাঁধানো বহুতল ফ্রুটকেক৷ সেই কেকেরই এক টুকরো রাজ পরিবারের কোনও সদস্য সংরক্ষণ করে রেখে দিয়েছিলেন৷ সম্প্রতি রাজা-রানির ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে কর্মীদের নজরে পড়ে কেকের বাক্সটি৷

কিভাবে বোঝা গেল যে ওই কেক টুকরো ডায়না ও চালর্সের বিয়েরই কেকের একাংশ? কর্মীরা জানাচ্ছেন, সংরক্ষিত বাক্সটির ওপরে লেখা রয়েছে- ‘সিডি, বাকিংহাম প্যালেস, ২৯ জুলাই, ১৯৮১’। এরপরই রাজ পরিবারের প্রবীণ কর্মীরা তথ্য ঘেঁটে জানতে পারেন, ’৮১ সালের ২৯ জুলাই সিডি-র বাকিংহাম প্যালেসে চার হাত এক হয়েছিল রাজা-রানির৷

সংরক্ষিত ওই বাক্সে কেকের সঙ্গেই ছিল ওয়েলসের রাজা ও রানির একটি শুভেচ্ছা কার্ডও৷ যা থেকে সকলেই নিশ্চিত হন-কেকটি চালর্স-ডায়নার বিয়েরই৷ এরপরই কেকটি নিলামে চড়ে৷ সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, আপাতত এক টুকরো ওই ফ্রুট কেক নিলামে ৮০০ ডলার পর্যন্ত চড়েছে৷ নিলাম সংস্থা ‘আর আর অকসন’ এর দাবি, এই কেকটি তৈরি করেছিলেন রয়্যাল নেভাল কুকিং স্কুলের প্রধান ডেভিড আভেরি। আপাতত এক টুকরো ফ্রুট কেককে কেন্দ্র করেই ইতিহাসের স্বাদ আস্বাদনে ফুটছে আমেরিকা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।