স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সরকার এবং শাসকদলের উপরের তলার একাংশের মদতে বহাল তবিয়তে কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন ভুয়ো ডাক্তাররা৷ এবং, ভুয়ো ডাক্তারদের বিষয়টি বন্ধ করতে হলে, তাঁদের মদতদাতা হিসাবে এই একাংশের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ সোমবার এমনই অভিযোগ এবং দাবি করলেন খোদ পশ্চিমবঙ্গেরই সরকারি ডাক্তাররা৷

তবে, শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার নয়৷ বামফ্রন্ট পরিচালিত রাজ্যের পূর্বতন সরকারের আমলেও পশ্চিমবঙ্গে ভুয়ো ডাক্তারদের রমরমা বেড়েছে বলে সোমবার দাবি করেছে সরকারি ওই ডাক্তারদের সংগঠন সার্ভিস ডক্টরস ফোরাম৷ যে কারণে, ভুয়ো ডাক্তারদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এ বার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আর্জি জানাতে চলেছে এই সংগঠন৷

সার্ভিস ডক্টরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সোমবার বলেন, ‘‘ভুয়ো ডাক্তারদের বিষয়টি নতুন ঘটনা নয়৷ বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে ভুয়ো ডাক্তারের সংখ্যা ৫০০-র বেশি৷ কিন্তু, ভুয়ো ডাক্তারদের জাল সার্টিফিকেট দিয়েছে যে সব সংস্থা, রোগী দেখছেন যে সব ভুয়ো ডাক্তার, দেখা যাচ্ছে সরকার এবং সরকারি দলের উপরের তলার একাংশের সঙ্গে সেই সব সংস্থা এবং ভুয়ো ডাক্তারের যোগাযোগ রয়েছে৷ আগের সরকার এবং বর্তমান সরকারের আমলে সরকার এবং সরকারি দলের উপরের তলার লোকজন ভুয়ো ডাক্তারদের বিষয়ের সঙ্গে জড়িত বলে আমরা মনে করছি৷’’

শুধুমাত্র তাই নয়৷ যেভাবে সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে ভুয়ো ডাক্তাররা চিকিৎসা পরিষেবা দিয়েছেন বলে প্রকাশ্যে এসেছে, মদতদাতাদের ছাড়া তাঁরা কীভাবে এ কাজ করতে পারেন? এই ধরনের প্রশ্ন উত্থাপন করে সার্ভিস ডক্টরস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘ভুয়ো ডাক্তারদের মোকাবিলায় তাঁদের মদতদাতাদেরও তদন্তের আওতায় আনতে হবে৷ গোটা চক্রের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ভুয়ো ডাক্তারদের বিষয়টি বন্ধ করা যাবে না৷ এই বিষয়ে আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আর্জি জানাব৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.