স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : দহনজ্বালা আজ থেকেই শেষ হতে চলেছে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আর্দ্রতাজনিত কিছুটা অস্বতি থাকলেও গত এক মাসের বেশি সময় ধরে কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গে যে অসহ্য গরম চলছিল তা আর থাকবে না । সৌজন্যে নিম্নচাপ ও মৌসুমী বায়ু।

পূর্বাভাস অনুসারে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকবে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বঙ্গোপসাগর থেকে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে যার হাত ধরে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করতে চলেছে মৌসুমি বায়ু। আগামী কয়েকদিনে কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই বৃষ্টির পরিমান বাড়বে। ফলে সূর্যের তাপ কমবে।

এদিন সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। বুধবারও একইরকম ছিল সকালের পারদ, মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা দুই ডিগ্রি বেশি। ফলে স্পষ্ট যে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা কমছে। সকালের আবহাওয়ার পরিস্থিতি থেকে সেই ইঙ্গিত মিলছে। তবে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ কোনওভাবেই কমেনি। অর্থাৎ বেলার গড়ালে হাওয়া অফিসের আর্দ্রতা মাপক যন্ত্র জানিয়ে দিচ্ছে সর্বোচ্চ আর্দ্রতা কিছুতেই নব্বইয়ের নীচে নামছে না। বৃহস্পতিবার শহরের আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ শতাংশ।বুধবার শহরের সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৬ শতাংশ। মঙ্গলবার তা ছিল সর্বোচ্চ ৯৫। কমেছে সর্বনিম্ন আর্দ্রতার পরিমাণ। এদিন সকালে কলকাতার বাতাসে সর্বনিম্ন আর্দ্রতার ৫৩ শতাংশ।বুধবার যা ছিল সর্বনিম্ন ৬৮ শতাংশ। মঙ্গলবার তা ছিল সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ। ফলে এদিন সকাল থেকে শহরের আবহাওয়ার পার্থক্য গড়ছে সর্বনিম্ন আর্দ্রতার পরিমাণও।

বুধবারও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় পূর্বাভাস মতোই ঝড় বৃষ্টি হয়। ৪৮ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায় ঝড়ো হাওয়া। বৃষ্টি হয়েছে ১৩.৯ মিলিমিটার, যা বুধবার রাত এবং বৃহস্পতিবার সকালের পারদকে চড়তে দেয়নি। আগামী কয়েকদিনে আবহাওয়ার এই ছবিই বেশি দেখা যেতে পারে বলে আশ্বাস হাওয়া অফিসের।