স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : সারা রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।তারই মাঝে গ্রামীণ হাওড়ার আমতায় একই পাড়ায় ২৯ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি মেলায় আমতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সূত্রের খবর,আমতা মেলাইবাড়ী সংলগ্ন নাপিত পাড়ায় গত দু-একদিনে মোট ২৯ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ মিলেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ,স্থানীয় এক ক্ষৌরকার পরিযায়ী শ্রমিকদের চুল-দাড়ি কাটতে গিয়েই প্রথম সংক্রামিত হয়। তার থেকেই এই সংক্রমণ। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি উপসর্গহীন হওয়ায় তাকে হোম কোয়ারেন্টাই থাকতে বলা হয়েছিল। সে এসবের তোয়াক্কা না করে নিজের কাজ চালিয়ে যায় সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে নিজের ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়ায়। ফল এক পাড়ায় ২৯ আক্রান্ত।

ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে পাড়াটিকে কন্টেনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে।চলছে এলাকা স্যানিটাইজেশনের কাজ। রয়েছে পুলিশি পাহাড়া। রাজ্যে করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। একদিনে সংক্রমণ ও মৃত্যুর নিরিখে রেকর্ড করল বাংলা। গত ২৪ ঘণ্টায় মারণ ভাইরাসের কবলে পড়েছেন ৭৪৩। যা অন্যান্য দিনের সমস্ত রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে।এ নিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১,২৩১। গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা প্রাণ নিয়েছে ৭৩৬ জনের। তবে বেড়েছে সুস্থতার হারও। ৪ জুলাই অনুযায়ী সুস্থতার হার ৬৬.৭২ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ১৪,১৬৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৯৫।

যে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, এদের মধ্যে কলকাতারই ৮ জন৷ উত্তর ২৪ পরগনার ৩ জন৷ হাওড়ার ৩ জন৷ পশ্চিম বর্ধমান ২ জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ১ জন৷ পশ্চিম মেদিনীপুর ১ জন৷ মালদার ১ জন৷ বাংলায় নতুন করে টেস্ট হয়েছে ১১০১৮টি৷ তবেএই পর্যন্ত মোট টেস্ট হয়েছে ৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৭২ জনের৷ প্রতি মিলিয়নে টেস্ট ৫৮৯০ জন৷ যা শতাংশের হিসেবে ৪.০১ শতাংশ৷ এই মুহূর্তে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে রাজ্যে ৫১টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে৷ আরও ১টি ল্যাবরেটরি অপেক্ষায় রয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।