ফিলাদেলফিয়া: বোয়িং ৭৩৭-৭০০ মডেলের উড়োজাহাজটিতে তখন ১৪৩ জন যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু ছিল৷ সবই ঠিকঠাক চলছিল৷ আচমকাই বিপত্তি৷ নিউ ইয়র্কের লা গার্ডিয়া এয়ারপোর্ট থেকে ডালাসের দিকে যাওয়া বিমানটির একটি ইঞ্জিন মাঝ আকাশেই সশব্দে ফেটে যায়৷

আরও পড়ুন: আইএসআইএস যোগ সন্দেহে ৩০০ জনের মৃত্যুদণ্ড ইরাকে

বিস্ফোরণের সাথে সাথে উড়ে যায় ফ্লাইটটির জানলা, পাখা ও বাঁ দিকের কাঠামো৷ সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের ১৩৮০ ফ্লাইটটির এক মহিলা যাত্রী হাওয়ার চাপ সহ্য না করতে পেরে উড়ে যান৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উড়ান শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানের বাম দিকের ইঞ্জিনে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় উড়ে যায় একটি কাচের জানলা। বিমানের ভিতর থেকে উড়ে বেরোতে থাকে যাবতীয় আলগা সরঞ্জাম। বাতাসের তীব্র গতি জানলায় টেনে নেয় এক প্রবীণ মহিলাকে। আতঙ্ক ছড়ায় যাত্রীদের মধ্যে।

১৫ মিনিটের মধ্যে বোয়িং ৭৩৭ বিমানটিকে ফিলাদেলফিয়া বিমানবন্দরে অবতরণ করান পাইলট। ফিলাদেলফিয়া ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তরফে জানানো হয়েছে, বিমান অবতরণের পর ৮ জন যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ১ জনের অবস্থা ছিল গুরুতর। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিত্সার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হিমালয়ের ভিতর দিয়ে ভারতের মাটি ছোঁবে চিনের ইকনমিক করিডর

মৃত মহিলা যাত্রীর নাম জেনিফার রিঅর্ডান। তিনি একটি ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ওই নারী দুই সন্তানের মা। সেখানকার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি) জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে ইঞ্জিনের একটি ফ্যান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না, আর সেই স্থানের মেটালগুলো কাজ করছিল না। এনটিএসবির চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি খুবই অস্বাভাবিক, খুব গুরত্ব দিয়েই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। এরআগে, ইউএস কমার্শিয়াল ফ্লাইটে দুর্ঘটনা ঘটে ছিল ২০০৯ সালে।