নয়াদিল্লি : মহিলাদের মধ্যে স্তন ক্যান্সারের প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে৷ দিল্লির এইমস হাসপাতালে ASOMA একটি কনফারেন্সের আয়োজন করেছিল৷ সেখানেই উঠে এসেছে এই তথ্য৷ শুধু তাই নয়৷ কনফারেন্সে এও বলা হয়, প্রতি ৮ জন মহিলার মধ্যে ১ জনের স্তনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন৷

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে যে স্টিগমা যুক্ত থাকে তা নির্ণয় করতে কখনও কখনও দেরি হয়ে যায়৷ ফলে রোগীর জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে৷ একপ্রকার বাধ্য হয়েই রোগীকে স্তন দেহ থেকে বাদ দিতে হয়৷ ASOMA-র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট প্রফেসর চিন্তামণি জানিয়েছেন, যদি প্রথম পর্যায়েই চিকিৎসা শুরু হয়ে যায়, তাহলে এটি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব৷

অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৫০ জন ডাক্তার, নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট ও ক্যান্সার রোগীরা উপস্থিত ছিলেন৷ ভারতের বাইরে থেকেও অনেকে এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন৷ কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রী মানেকা গান্ধী জানিয়েছেন, “ভারতে স্তন ক্যান্সার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ প্রতি ৮ জন মহিলার মধ্যে ১ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত৷ এই নিয়ে ডায়েট ও শরীরচর্চার কোনও জ্ঞান নেই৷ আমি মেডিক্যাল সোসাইটির কাছে অনুরোধ করছি এই নিয়ে তারা যেন সতর্কতামূলক প্রচার চালায়৷”

স্তন ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণ লাম্প হওয়া৷ এর কারণে আকার ও ত্বকের গঠনে প্রভাব পড়ে৷ ব়্যাশ হয়৷ স্তনবৃন্তে অস্বাভাবিকত্ব লক্ষ্য করা যায়৷ এগুলো দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.