মুম্বই: টানা চার ম্যাচে জয়ের পর টুর্নামেন্টে প্রথম হার। একা রবীন্দ্র জাদেজাই রবিবার দু’টো দলের মধ্যে ফারাক গড়ে দিলেন দক্ষিণী ডার্বিতে। কিন্তু ম্যাচ হেরেও আশ্বস্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এদিন ম্যাচের পর আরসিবি দলনায়ক স্বীকারও করে নিলেন যে, জাদেজার ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেই হারতে হল তাঁর দলকে। কিন্তু কয়েকমাস পর যখন দেশের মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ‘জাড্ডু’ তখন তাঁরই দলের সেনানী থাকবেন। ঠিক এই কথা ভেবেই রবিবার ম্যাচ হেরেও খুশি কোহলি।

২৮ বলে অপরাজিত ৬২। এরপর বল হাতে মূল্যবান তিন উইকেট সঙ্গে একটি রান-আউট। রবিবার চেন্নাই”য়ের ম্যাচ জয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছেন জাদেজা। তাই ম্যাচ শেষে নিজের দলের অধিনায়কের পাশাপাশি এদিন বিপক্ষ অধিনায়কের থেকেও অকুন্ঠ প্রশংসা কুড়িয়ে নিলেন জাতীয় দলের ইউটিলিটি অলরাউন্ডার।

এদিন ম্যাচের পর জাদেজার পারফরম্যান্স নিয়ে বলতে গিয়ে কোহলি বলেন, ‘একটা ছেলেই আমাদের হারিয়ে দিল। ওঁর দক্ষতা সম্পর্কে সবার ধারণা হওয়া উচিৎ।’ আরসিবি অধিনায়কের সংযোজন, ‘আমি ভীষণ খুশি ব্যাট, বল এবং ফিল্ডিং’য়ে ওকে সমান দক্ষতার সঙ্গে পারফর্ম করতে দেখে। দু’মাস পরেই ও আবার ভারতের হয়ে খেলবে। তাই একজন প্রিমিয়ার অলরাউন্ডার হিসেবে ব্যাট হাতে ওকে পারফর্ম করতে দেখে আনন্দ হচ্ছে। ও যখন খেলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলে। যা দলকে অনেক সুবিধা এনে দেয়।’

পাশাপাশি ৬৯ রানে হেরে কোহলির হতাশ না হওয়ার আরও একটা কারণ যে মরশুমের শুরুর দিকেই এরকম খারাপ একটা পারফরম্যান্স অনেককিছু চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে যাওয়ায়। উল্লেখ্য, এদিন ওয়াংখেড়েতে প্রথমে ব্যাট করে আরসিবি’কে ১৯২ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় সিএসকে। হর্ষল প্যাটেলের অন্তিম ওভারে ৫টি ছক্কা সহযোগে ৩৭ রান সংগ্রহ করেন জাদেজা। যা আইপিএলে’র ইতিহাসে সবচেয়ে দামী ওভার। এর আগে ২০১১ কোচি তাস্কার্সের প্রশান্ত পরমেশ্বরণের এক ওভারে ৩৭ রান নিয়েছিলেন আরসিবি’র ক্রিস গেইল।

এক ওভারে পাঁচ ছক্কা সহযোগে ৩৭ রান নিয়ে এদিন গেইলের জোড়া রেকর্ডে থাবা বসান ‘স্যার জাদেজা’। পরে আরসিবি’কে মাত্র ১২২ রানে বেঁধে রাখতে বল হাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন এই ইউটিলিটি অলরাউন্ডার। ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন ‘জাড্ডু’। যার মধ্যে রয়েছে ম্যাক্সওয়েল এবং ডি’ভিলিয়ার্সের দু’টি মূল্যবান উইকেট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.