মুম্বই: ভাসাইয়ের চিনচোটি জলপ্রপাতে আটকে পড়া ১০৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভবপর হয়েছে এখনও পর্যন্ত৷ তবে একজন মারাও গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ বৃষ্টির কারণে শনিবার মহারাষ্ট্রের বসোইয়ে চিনচোটিতে জলস্তর বেড়ে গিয়েই এই বিপত্তি৷ অনেকে গাছেও আটকে থাকে৷ পরে উদ্ধারকারী দল গিয়ে প্রায় ১০৬ জনকে উদ্ধার করে৷ তবে এখনও উদ্ধার অভিযান চলছে৷

সূত্রের খবর, কমপক্ষে ২৬জন বিপদজ্জনক এলাকার মধ্যে প্রবেশ করেছিল, জলস্তর বাড়তে তারা আটকে যায়৷ এদের মধ্যে সান্তাক্রুজ, আইরোলি, মালাড, বোরিভালি এবং স্থানীয় কিছু এলাকা থেকে অনেকে ছিল৷

পালঘরের রেসিডেন্ট ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর নভন্থ জেয়ার জানান, ১৯জনের একটি উদ্ধারকারী দল সেখানে উপস্থিত হয়ে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ে৷ তবে এলাকাটি ঘন জঙ্গলে পরিবৃত হওয়ায়, লাগাতার বৃষ্টি এবং মোবাইল সংযোগ দুর্বল হওয়ায় উদ্ধারকাজে সমস্যা হয়৷ স্থানীয়দের সাহায্যে ঘোড়া নিয়ে উদ্ধারে নামে এনডিআরএফ দল৷ পাশাপাশি ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে কমপক্ষে ৫জনকে উদ্ধার করা সম্ভবপর হয়েছে৷

এক সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আটকে পড়া অনেকেই ভাসাইয়ে গিয়েছিল পিকনিকের জন্য৷ সেখানে লাগাতার বৃষ্টিতে আটকে যায় তারা৷ পুলিশ আধিকারিকদের মতে, মুম্বই-আহমেদাবাদ হাইওয়ে থেকে প্রায় ২-৩ঘন্টা দূরে এই স্থানটি৷ টানা বৃষ্টিতে আরও বেহাল হয়ে যায় অবস্থা৷ উদ্ধারকাজ এখনও চলছে৷

এদিকে, বৃহস্পতিবার, মুম্বইয়ে জুহু বিচ থেকে উদ্ধার হয় দেহ৷ জানা যায় সেদিন সন্ধ্যায় সাঁতার কাটতে গিয়ে তলিয়ে যায় চার যুবক৷ তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে দুটি দেহ৷ লাইফ গার্ডদের সাহায্য নিয়ে প্রাণে বাঁচেন নিখোঁজ দলটির আর এক সদস্য ওয়াসিম খান৷ উদ্ধারকাজকে দ্রুত করার জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করছে নেভি৷ উপকূলবর্তী গার্ডরাও তদন্তের কাজে এগিয়ে এসেছেন৷

পরমজিত সিং দাহিয়া (ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ) সংবাদ সংস্থাকে জানান, ‘সমুদ্র যথেষ্ট উত্তাল ছিল৷ বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তারা সাঁতার কাটার সিদ্ধান্তটি নিয়েছিল৷’ পুলিশের জেরায় ওয়াসিম খান জানিয়েছে, আন্ধেরির ডিএন নগর এলাকার বাসিন্দা সে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।